এইমাত্র পাওয়া

দেশে ফিরে তারেক রহমান তিন দিন কোথায় যাবেন, কী করবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান
দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর প্রথম তিন দিন তিনি যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন সেই তথ্য জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ বুধবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে করে তারেক রহমানের তিন দিনের কর্মসূচির কথা জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আগামীকাল দুপুরে বিমানবন্দরে নামার পর দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা তারেক রহমানকে স্বাগত জানাবেন। এরপর তিনি জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে তথা ৩০০ ফিট রাস্তায় সংবর্ধনাস্থলে যাবেন। সেখানে অপেক্ষায় থাকা নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশ্য বক্তব্য দেবেন তিনি। এরপর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখান থেকে বিমানবন্দর সড়ক হয়ে কাকলির মোড় হয়ে গুলশান দুই নম্বরে বাসভবনে চলে আসবেন। সেদিন আর অন্য কোনো অনুষ্ঠান হবে না।

বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে করে তারেক রহমানের তিন দিনের কর্মসূচির কথা জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পরদিন ২৬ ডিসেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজের পর তারেক রহমান বাসভবন থেকে প্রথমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন। সেখান থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতি সৌধে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর ২৭ ডিসেম্বর শনিবারও দুটি কর্মসূচি রয়েছে। ওই দিন জাতীয় পরিচয়পত্রের কাজ করবেন তিনি। এ জন্য তারেক রহমান সশরীরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন অফিসে যাবেন কি না, সেটা পরে জানানো হবে। ওই দিনই ভোটার হতে সমস্ত কাজগুলো করবেন। এরপরে শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাবেন।

শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত শেষে সেখান থেকে রাজধানীর শ্যামলীতে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে যাবেন তারেক রহমান। এরপর আরেকটি অনুষ্ঠান হবে সেটার বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানান তিনি।

স্ব প্রণোদিত হয়ে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব থাকা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার স্ব প্রণোদিত হয়েই সর্বোচ্চ সহায়তা দিচ্ছেন।

গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শামছুল ইসলাম বলেন, দলের পক্ষে থেকে যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সেটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে ক্ষুদ্র একটা অংশ হলো চেয়ারপার্সন সিকিউরিটি ফোর্স। তারপর আমাদের দলীয় নেতাকর্মী এবং সর্বোপরি বাংলাদেশে আপামর জনসাধারণ হল আমাদের নিরাপত্তার মূল ভিত্তি।

শামছুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদেরকে সকল ধরনের সহায়তার জন্য সরকার তার বিভিন্ন বাহিনী এবং সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। তাদের সাথে আমাদের গভীর এবং নিবিড় সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এবং সব গভর্মেন্টাল অর্গানাইজেশন, আমাদের দলীয় যে শক্তি আছে সেটাকে ইন্টিগ্রেট করে আমরা আশা করছি আমাদের জানা মতে যতটুকু নিরাপত্তা আছে তার চেয়ে অনেক শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমরা সৃষ্টি করব।’


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading