সহকারী শিক্ষক নিয়োগ -২০১৮ এর বিভিন্ন কোটা সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গতকাল ১৬ জানুয়ারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়।
ব্যাখ্যায় বলা হয়, গত ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮ এর প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে সরকারি কোটাবিধি যথাযথ অনুসরণ করা হয়নি মর্মে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চলছে।
ব্যাখ্যার একটি কলামে উল্লেখ করা হয়, এবারের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল বিশ্লষণে দেখা যায় যে,বিভিন্ন বিশেষ শ্রেণির কোটায় নির্বাচনযোগ্য উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়ায় শূন্যপদসমূহ সাধারণ প্রার্থীদের দ্বারা পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে মেধাক্রমানুসারে পূরণ করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় বিধি সম্মতভাবেই কিছু উপজেলায় নির্বাচিত পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা নির্বাচিত মহিলা প্রার্থীর চেয়ে বেশি হয়েছে।
উল্লেখ্য , সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮ এর চূড়ান্ত ফলাফল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহায়তায় উন্নত সফটওয়ারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে মানবীয় হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ ছিলো না। ব্যবহৃত সফটওয়ারে সরকারি কোটাবিধি সঠিক এ যথাযথভাবে অনুসরণ করা করা হয়েছে বিধায় প্রত্যেক প্রার্থী বিধি অনুযায়ি মূল্যায়িত হয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে।

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
