ঢাকাঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদ স্মরণে স্ট্রিট মেমোরি স্ট্যাম্প, শহীদ আবু সাঈদ তোরণ, মিউজিয়াম ও শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে এসব উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের শাহাদত বার্ষিকী ও ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আগে সকালে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড, শওকাত আলীসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি শোক র্যালি বের হয়ে ক্যাম্পাস এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
এদিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আলোচনা সভার মঞ্চে আসন গ্রহণ করেছেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা। মঞ্চের সামনে দর্শক সারিতে বসেছেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চার উপদেষ্টাসহ উপাচার্য প্রফেসর ড, শওকাত আলী, ও রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। সভায় প্রধান অতিথি আছেন আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন এবং বিশেষ অতিথি রয়েছেন রংপুরের বিভিন্ন এলাকার শহীদ ২২ পরিবারের সদস্যরা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এসএমএ ফায়েজ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. তানজীমউদ্দীন খান।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট এলাকায় পুলিশের গুলির সামনে বুক পেতে দিয়ে শহীদ হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। এরপর দেশব্যাপী আন্দোলন বেগবান হয়। একপর্যায়ে সেই আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ফলে ওই বছরের ৫ আগস্ট পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের।
শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/১৬/০৭/২০২৫
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
