ঢাকাঃ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের পাঠানো এক নোটিশ অব ইনটেন্টে জানানো হয়েছে সেখানে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন বাতিল করা হবে। নোটিশে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির অধিকার বাতিলের কারণও ব্যাখ্যা করা হয়।
অবশ্য নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে ১ মাস সময় দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। আপাতত স্থগিত রয়েছে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত। নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছেন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক অ্যালিসন বারোস।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) আদালতে শুনানির আগে ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, তাৎক্ষণিক নয় বরং নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করতে হার্ভার্ডকে দেয়া হচ্ছে ৩০ দিন সময়।
অ্যালিসন বলেন, স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হবে। হার্ভার্ড এখনই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তিতে বাধা পাবে না। ভিসা কার্যক্রমে যাতে কোনো পরিবর্তন না আসে, দু’পক্ষকে এমন সমাঝোতায় পৌঁছাতে হবে।
হার্ভার্ডের অভিবাসন সেবার পরিচালক মওরিন মার্টিন আদালতে জানান, সরকারের এমন পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর ভয়, উদ্বেগ ও বিভ্রান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। তিনি আরও বলেন, অনেক দেশি শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় বদল বা ভর্তি স্থগিত করার কথা ভাবছেন। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরাও অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।
এই বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনির মেয়ে ক্লিও কারনি, যিনি হার্ভার্ডে প্রথম বর্ষ শেষ করেছেন। তিনি একটি পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন বিষয়ক প্রোগ্রামে পড়ছেন। আরও রয়েছেন বেলজিয়ামের সিংহাসনের উত্তরসূরি প্রিন্সেস এলিজাবেথ, যিনি হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলে পাবলিক পলিসিতে মাস্টার্স করছেন।
এই ঘটনার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হার্ভার্ডকে কটাক্ষ করে লেখেন, হার্ভার্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো—তারা নিজেদের পক্ষে সবচেয়ে সুবিধাজনক বিচারক খুঁজে পেয়েছে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, শেষ পর্যন্ত সরকারই জিতবে।
এদিকে, রক্ষণশীলদের প্রতি পক্ষপাতিত্ব ও ক্যাম্পাসে ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সচিব ক্রিস্টি নোম গেল। তবে, সেসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/৩০/০৫/২০২৫
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
