এইমাত্র পাওয়া

শহর থেকে এগিয়ে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক :

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় গত মঙ্গলবার। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় চট্টগ্রামে শহরের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে শিক্ষা থানা আছে ২০টি। প্রতিবারের মতো এবারও পাসের হারের ভিত্তিতে এই সব থানার ক্রমতালিকা করা হয়েছে। এই তালিকায় দেখা গেছে শীর্ষ ১০–এর মধ্য শহরের মাত্র তিনটি থানার জায়গা হয়েছে। অথচ গতবার প্রথম পাঁচটির তিনটিই ছিল শহর।

উপজেলাগুলোতে ভালো ফলের পেছনে চারটি কারণ পাওয়া গেছে। সেগুলো হলো, দুপুর ১২টার বদলে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হওয়া। শিক্ষকদের দেওয়া নানা প্রশিক্ষণ ও কৌশল ক্লাসে প্রয়োগ করা। শিক্ষার্থীদের শ্রেণিমুখী করতে শিক্ষকদের প্রচেষ্টা এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া।

গ্রামের স্কুলে ভালো ফলের পেছনে দুটি উদ্যোগের কথা জানান উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, মূলত তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শ্রেণি কার্যক্রম দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়। তাঁরা বিদ্যালয়গুলোকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু করার জন্য বলেন। সে অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সঙ্গে তাদের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হতো। এ ছাড়া শিক্ষকদের জন্যও নানা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। সেই প্রশিক্ষণ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান তাঁরা শ্রেণি কার্যক্রমে প্রয়োগ করতে পেরেছেন। এসব কারণে ভালো ফল হয়েছে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.