নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসার ১৫ শিক্ষকের এনটিআরসিএ সনদ, সুপারিশপত্র জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় ইনডেক্স কর্তন করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সাথে তাদের উত্তোলিত বেতন-ভাতাসহ সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানপূর্বক এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়ের করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোঃ শরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই তথ্য জানা গেছে।
ইনডেক্স কর্তন হওয়া শিক্ষকরা হলেন, গাজীপুরের কাপাসিয়ার টোক নগর দারুল হাদীস আলিম মাদ্রাসার প্রভাষক মো. আশরাফুল আলম ও প্রভাষক রুহুল আমিন, নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার জি.কে.পি ডোয়াইগাঁও রবিউল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. মনির হোসেন, সহকারী শিক্ষক সোনিয়া আকতার, সহকারী শিক্ষক মো. মোজাম্মেল হক,জুনিয়র মৌলভী রুমা আক্তার ও সহকারী মৌলভী আতিকুর রহমান। গাজীপুরের কাপাসিয়ার সনমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী তাসলিমা আক্তার ও সহকারী মৌলভী হাজেরা। নরসিংদীর বেলাব উপজেলার সুটরিয়া মো: ফজলুল হক খাঁন দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী তাজুল ইসলাম। গাজীপুরের কাপাসিয়ার আফছার উদ্দিন আহমদ কারিগরি মাহিলা দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. শরিফুজ্জামান। নরসিংদীর মনোহরদীর তারাকান্দী টি কিউ এ এইচ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক নাজমুন নাহার, জুনিয়র শিক্ষক মো. রাকিবুল, সহকারী শিক্ষক সফিকুল ইসলাম ও জুনিয়র মৌলভী মো. সাইফুল্লাহ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনটিআরসিএ’র সূত্রোক্ত স্মারকের প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্ণিত শিক্ষকদের এনটিআরসিএ’র সনদ ও সুপারিশপত্র জাল ও ভুয়া মর্মে অবহিত করেন। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ১৮.১ (গ) এবং (ঙ) অনুযায়ী এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বর্ণিত শিক্ষকদের এমপিওশীট হতে ইনডেক্স কর্তন করা হলো।
এমতাবস্থায়, ভবিষ্যতে এ ধরনের জাল সনদধারী আবেদন প্রেরণে মাদ্রাসার প্রধানকে সতর্ক করা হলো। অন্যথায় বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্ণিত শিক্ষকবৃন্দের উত্তোলিত বেতন-ভাতাসহ সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানপূর্বক এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়ের করে প্রমাণকসহ এ অধিদপ্তরে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। উল্লেখ্য আইনানুগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সরকারি কোষাগারে অর্থ ফেরত প্রদানে যে কোন ধরনের শৈথিল্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান সম্পূর্ণরূপে দায়ী থাকবেন।


শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/২২/০১/২০২৫
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
