অনলাইন ডেস্ক :
বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড-২০১৯’ আইনের চূড়ান্ত খসড়া নীতিগত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। পাঠ্যক্রম, পাঠ্যবই ও পাঠ্যসূচি প্রণয়নে পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে সহায়তা করবে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড- এমন বিধান যুক্ত করে এ খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। এতদিন মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড পরিচালিত হয়ে আসছে ১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দের মাদরাসা শিক্ষা অর্ডিন্যান্সের অধীনে। এ অর্ডিন্যান্সকে আইনে রূপান্তর ও যুগোপযোগী করতে এ উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত এ আইনের নামকরণ করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড-২০১৯’ আইন।
জানা গেছে, নতুন আইনে বোর্ড শব্দটির পরিবর্তে পরিচালনা পর্ষদ শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বোর্ডের সদস্য সংখ্যা ১৩ জনের পরিবতে ১৫ জন করা হয়েছে। বিদ্যমান অর্ডিনেন্সে কোন সদস্য সচিব না থাকায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অনুমোদিত আইনের খসড়া অনুসারে পাঠ্যক্রম, পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, উন্নয়ন, নবায়ন, নিরীক্ষণের কাজে এনসিটিবিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে বলে নতুন ধারা সংযোজন করা হয়েছে। নতুন আইনের খসড়া অনুসারে বিশেষ জ্ঞান ও দক্ষতার কাজ সম্পাদনে প্রয়োজন হলে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড পরামর্শক বা বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে পারবে বলে নতুন ধারা সংযোজন করা হয়েছে।
অনুমোদিত খসড়ায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডকে বৈদেশিক উৎস থেকে অনুদান গ্রহণের সুযোগ দিয়ে বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষার ধরন, মেয়াদ, মান ও যোগ্যতা সনদ নির্ধারণ বিষয়ে বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড একটি বিশেষায়িত শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডের অধীনে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার বিষয়গুলোকেও পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দের মাদরাসা শিক্ষা অর্ডিন্যান্সের আওতায় অনেক কিছুই অস্পষ্ট থেকে যায়। এ ছাড়া মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করায় ওই অধ্যাদেশকে আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
