এইমাত্র পাওয়া

নবীনদের পদচারণায় মুখরিত নোবিপ্রবির ১০১ একর

সালমান ইস্পাহানী সাইমন, নোবিপ্রবি প্রতিবেদকঃ নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় আবার মুখরিত হয়ে উঠেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাস। নানা আয়োজন আর আনন্দঘন পরিবেশে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ( ২২ অক্টোবর ) পৃথকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগের পক্ষ থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

১০১ একরের এই ক্যাম্পাস সারা বছর নানা ধরনের সাংস্কৃতিক উৎসবে মুখরিত থাকলেও সেই সৌন্দর্যের মাত্রাটা আরো একধাপ বেড়েছে নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসা হাজার হাজার নবীনের পদচারণায় মুখর এখন দেশের অন্যতম এই বিদ্যাপীঠ। নবীন শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে প্রাণের আরেক মাত্রা যোগ হয়েছে। ক্যাম্পাসের প্রতিটি আড্ডাস্থলে পুরোনোদের পাশাপাশি আলো ছড়াচ্ছেন নবীন মুখগুলো।

এরই সঙ্গে যোগ হলো শিক্ষার্থীদের আরও একটি ব্যাচ। গান-আড্ডা সিনিয়র ও বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয়ে সবাই যেন ব্যস্ত। ভর্তিযুদ্ধে জয়ী হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য এই দিনটি স্বপ্নকে জয় করার দিন। চান্স পাওয়ার পর প্রত্যেকেই ক্যাম্পাস নিয়ে মনে মনে আঁকতে থাকে নানা স্বপ্ন, জল্পনা-কল্পনা। প্রস্তুতি নিতে থাকে ক্যাম্পাসের প্রথম দিন কীভাবে কাটাবে এবং কী করবে। প্রবীণরাও প্রস্তুতি নিতে থাকে কীভাবে নবীনদের বরণ করে নেওয়া যায়। প্রস্তুতি শেষে ওরিয়েন্টেশনের দিনেই সেটি প্রকাশ পায়। সবাই ভেসে যায় আনন্দের জোয়ারে।

প্রথমদিনে কেন্দ্রীয়ভাবে নবীনবরণের নির্দিষ্ট আয়োজন না থাকায় ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই ক্যাম্পাসে আসতে থাকেন নবীন শিক্ষার্থীরা। কথা হয় ফলিত গনিত বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী তানবীর স্বাধীনের সঙ্গে। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর লালিত স্বপ্ন। আর আজ থেকে সেই লালিত স্বপ্ন পূরণ হলো। স্কুল-কলেজের পর  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ক্লাসে অংশগ্রহণ করার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার নয়।

শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া জামান বলেন, ভর্তি পরীক্ষার দীর্ঘ যাত্রার পর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম ক্লাসের অনুভূতিটাই অন্য রকম। নতুন নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় হলো। তাই খুব ভালো লাগছে। সকল বন্ধু মিলে স্বপ্ন পূরণের যাত্রা শুরু করলাম। ভবিষ্যতে যেন দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারি সেই কামনা করি।’

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/২২/১০/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.