এইমাত্র পাওয়া

ঢাবির আইইআর’র দুই অধ্যাপকের অব্যাহতির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) দুই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ধর্মীয় পোশাকের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের হেনস্থার অভিযোগে স্থায়ী অব্যাহতির দাবি জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুই অধ্যাপকের স্থায়ী অব্যাহতির দাবিতে ‘মার্চ টু আইইআর’ কর্মসূচি পালন করেছে সাবেক ও বর্তমানরা।

অভিযুক্ত দুই শিক্ষক হলেন, ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. অহিদুজ্জামান চান ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান লিটু। দুই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ হলো, বৈষম্য-বিরোধী আন্দোলনের বিরোধিতা, স্বৈরাচার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, রাজনৈতিক পেশি শক্তি খাটিয়ে শিক্ষার্থীদের নিপীড়ন ও ধর্মীয় পোশাকের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের হেনস্থা ও অকৃতকার্য করিয়ে দেওয়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২৫ তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী বলেন, বৈষম্য-বিরোধী আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন অহিদুজ্জামান চান। আমাদের সঙ্গে সংহতি না জানিয়ে তিনি উল্টো টকশোতে গিয়ে বলেছেন, বিরোধী দলের মানুষজন এই আন্দোলন করেছে। এই শিক্ষার্থী আরও বলেন, ১৫ জুলাই ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ইনস্টিটিউটের ভেতরে ঢুকতে চাইলে লিটু স্যার গেট খুলেননি। এছাড়া এই দুইজন অধ্যাপক ধর্মীয় পোশাকের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করেছেন।

মাহবুবুর রহমান লিটু স্যার ২৬তম ব্যাচের একজন শিক্ষার্থীকে ভাইভা বোর্ডে ফেইল করে দিয়েছেন হিজাব না খোলার কারণে। চান স্যার আমাদের অনেক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে হিজাব পরে আসার কারণে হেনস্তা করেছেন। পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে যেতে বলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় যতদিন পর্যন্ত আমাদের দাবি মেনে নিয়ে দুই অধ্যাপককে স্থায়ী অব্যাহতি না দেবে ততদিন আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, ১৫ জুলাই ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ইনস্টিটিউটের ভেতরে ঢুকতে চাইলে লিটু স্যার গেট খুলেননি। এছাড়া এই দুইজন অধ্যাপক ধর্মীয় পোশাকের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করেছেন। মাহবুবুর রহমান লিটু স্যার ২৬তম ব্যাচের একজন শিক্ষার্থীকে ভাইভা বোর্ডে ফেইল করে দিয়েছেন হিজাব না খোলার কারণে।

চান স্যার আমাদের অনেক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে হিজাব পরে আসার কারণে হেনস্তা করেছেন। পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে যেতে বলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় যতদিন পর্যন্ত আমাদের দাবি মেনে নিয়ে দুই অধ্যাপককে স্থায়ী অব্যাহতি না দেবে ততদিন আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/০৮/০৯/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.