নিজস্ব প্রতিবেদক।।
বাংলাদেশে সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ নতুন নয়। তবে দেশটির আইন অনুযায়ী কোনো নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হলেও সেটি বাতিল বলে ঘোষণা করার সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই।
এর আগে বেশ কয়েকবার সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় সেই পরীক্ষা আয়োজন করা হয়েছে। তবে সেটি করা হয়েছে ‘নীতিগত জায়গা’ থেকে।
এদিকে, সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। শুধু তাই নয়, গত এক যুগ ধরে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসসহ (বিসিএস) সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আরো কয়েকটি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার কথাও সেখানে দাবি করা হয়েছে।
১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে প্রশ্নপত্রের প্রকাশনা ও বিতরণ সম্বন্ধে উল্লেখ আছে যে কেউ যদি পরীক্ষার আগে কোনো উপায়ে প্রশ্ন ফাঁস, প্রকাশ বা বিতরণ করেন, তাহলে ‘তিনি চার বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’
তবে এই আইনে সাজা কম হলেও দুদকের আইনে প্রশ্নফাঁসের সাজা সাত বছর, বলেন খুরশিদ আলম।
এক্ষেত্রে ৯ জুলাইয়ের সংবাদ সম্মেলনে পিএসসি চেয়ারম্যান বলেছেন যে এর আগে যারা প্রশ্নফাঁসের সাথে জড়িত ছিল, তাদেরকে বিভিন্ন সময়ে বরখাস্ত করেছে পিএসসি।
কিন্তু বরখাস্ত হওয়ার পর তারা আবার কোর্টের অর্ডারে ছাড়া পেয়ে গেছে।
এ বিষয়ে সাবেক শিক্ষাসচিব খান বলেন, ‘এটি বাংলাদেশের কমন চিত্র। কোর্টে গেলে কেউ হুমকি দেয়, সাক্ষী পাওয়া যায় না। তখন কোর্টের অর্ডারে এরা ফিরে আসে। তাই এদেরকে কেউ ঘাঁটায় না।’
আইনের এদিকটা আরো কঠোর হওয়া দরকার বলে মনে করেন আবু আলম মো: শহীদ খান।
তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের রাষ্ট্রের একটি দুর্বলতা। লঘু দণ্ড দিলে শাস্তির মেয়াদ শেষে তার পদায়ন ও পদবি বিবেচনায় চলে আসে। লঘুদণ্ড দিয়ে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’
শিক্ষাবার্তা ডট কম/জামান/১২/০৭/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
