নিজস্ব প্রতিবেদক।।
ঈদে নিরাপদ ও আরামদায়ক হওয়ায় দূরপাল্লার যাত্রীদের প্রথম পছন্দ হয় ট্রেন। প্রতিবারের মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে স্পেশাল সার্ভিস চালু করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তবে ঈদযাত্রা নিয়ে সাধারণ যাত্রীরা বিভিন্ন অভিযোগ তুলছেন।
এমনই এক ভুক্তভোগী জুবায়ের হাসান। শনিবার (৬ এপ্রিল) তিস্তা ট্রেনে তিনি ঢাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জ যান।
ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বিষয়ে তিনি এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘একেই কী বলে প্রহসন? ট্রেনের টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায় না, ১০ দিন আগে থেকেও পাওয়া যায় না। হঠাৎ গতকাল আজকের টিকিট পেয়ে ভেবে বসছি যে সোনার হরিণ তো পেয়ে গেছি! এমা, সকালে এসে ট্রেন লেট করার দরুণ ১.৩০ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকলাম স্টেশনে। তারপর… ট্রেন আসলো ঠিকই, কিন্তু আমার বগি আসলো না। ট্রেনের স্টাফদের কমপ্লেইন করতে করতে দাঁড়িয়েই জয়দেবপুর চলে আসছি। জয়দেবপুর নেমে পরিচালকের রুমে এসে উনার পাশে বসে যাচ্ছি এখন।’
পরে নিজের ভোগান্তি বিষয়ে সময় সংবাদকে তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে এয়ারপোর্ট স্টেশন থেকে ৬ তারিখ তিস্তা এক্সট্রা-৫ বগিতে ৫ নম্বর আসনের টিকিট সংগ্রহ করি। তবে বিপত্তি ঘটলো ভ্রমণের দিন।
সকাল সকাল এয়ারপোর্ট স্টেশনে গিয়ে ট্রেনের অপেক্ষা করতে থাকি। তবে আমি আর এক্সট্রা-৫ বগি খুঁজে পাইনি।
তিনি আরও বলেন, দুই জন টিটির সঙ্গে কথা বলেও সুরাহা হয়নি। এয়ারপোর্ট থেকে জয়দেবপুর দাঁড়িয়ে আসতে হয়। পরে ট্রেনের পরিচালকের সঙ্গে আমি ও আরও একজন ভুক্তভোগী কথা বলি। পরে তিনি আমাদের দুইজনকে খাবারের কক্ষে বসান। এরমধ্যে আমাদের টিকিট চেক করেন, ভেরিফাই করেন। তবে তিনি কোনো সমাধান দিতে পারেননি।
জুবায়ের বলেন, শেষে পরিচালক জানান ম্যানেজার স্যার আসতেছেন, উনি আসলে একটা ব্যবস্থা করে দিবেন। উনি এলেন গফরগাঁও স্টেশনে যখন ট্রেন থেমেছে তখন। এসে পরিচালক, ম্যানেজার এবং পুলিশ মিলে পরামর্শ করে এক্সট্রা-৪ বগিতে আমাদের বসার কথা বলেন। পরে ট্রেন ময়মনসিংহ স্টেশনে এলে এক্সট্রা-৪ বগিতে গিয়ে আসনে বসি।
ঈদযাত্রার অভিজ্ঞতা বিষয়ে তিনি বলেন, এত বাজে সিচুয়েশনে পড়তে হবে জানলে হয়তো অন্য কোনো ওয়েতে আসতাম।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/জামান/০৭/০৪/২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
