নিজস্ব প্রতিবেদক।।
সরকারি, বেসরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীকে বীমার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
আর এই কাজটি করতে যাচ্ছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা প্রকল্প নামের একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রটি জানায় এই বীমা প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক জেলার জেলা প্রশাসককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছেও চিঠি পাঠানো হয়েছে। অবশ্য ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা পরিকল্পনা নিয়ে জীবন বীমা করপোরেশন ২ বছরের জন্য একটি পাইলট কর্মসূচি নিয়েছে।
এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী এই বীমা পরিকল্পনার আওতায় এসেছে। শিক্ষা বীমা পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া বন্ধ করা। এই বীমার আওতায় ৩ থেকে ১৭ বছরের কোনো শিক্ষার্থীর পিতা-মাতা বা আইনগত অভিভাবক এই বীমা সুবিধার আওতায় আসতে পারেন।
জানা গেছে, বছরে ৮৫ টাকা প্রিমিয়াম পরিশোধের মাধ্যমে এই বীমার আওতায় আসার পর কোনো শিক্ষার্থী অভিভাবকের শারীরিক অক্ষমতা বা মৃত্যুতে শিক্ষার্থীর বয়স ১৭ বছর হওয়া পর্যন্ত মাসিক ৫০০ টাকা হারে বৃত্তি পাবে, যা শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চলমান রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়। বার্ষিক প্রিমিয়াম আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি করে বর্ধিত বীমা সুবিধা পাওয়া যাবে, যা মাসিক বৃত্তি নামে পরিচিত হবে।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১১/০৩/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
