এইমাত্র পাওয়া

প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

শিক্ষাবার্তা ডেস্ক, ঢাকাঃ গত ২৯ ডিসেম্বর “নতুন কারিকুলাম: প্রশিক্ষণ শেষ না হতেই অবসরে প্রশিক্ষকরা‘ শিরোনামে শিক্ষাবার্তা’য় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (বাসমাশিস)।

শিক্ষাবার্তা’র বার্তা কক্ষে পাঠানো প্রতিবাদ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (বাসমাশিস) এর আহ্বায়ক সাখায়েত হোসেন বিশ্বাস ও সদস্য সচিব মোঃ আবদুস সালাম।

এতে বলা হয়,  গগত ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩  তারিখে প্রকাশিত নতুন কারিকুলাম প্রশিক্ষণ শেষ না হতেই প্রশিক্ষকরা অবসরে মর্মে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তাহা সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমাজের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিত। উক্ত সংবাদের মাধ্যমে স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এটি প্রকাশ ও প্রচার করে মূলত বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছেন এবং নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম বিস্তরণ ও বাস্তবায়ন কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। উপরন্তু এধরণের নেতিবাচক সংবাদ প্রচার করার কারণে ছাত্র ছাত্রী, অভিভাবক ও সাধারণ জনগণের মনে নতুন কারিকুলাম ব্যাপারে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি হবে বলে আমারা সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমাজ মনে করছি।

বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (বাসমাশিস কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে এধরণের ভিত্তিহীন ও উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করা থেকে বিরত থাকার জন্য আহবান জানাচ্ছি।

প্রকৃতপক্ষে জাতীয় শিক্ষাক্রম বিস্তরণ ২০২২ প্রশিক্ষণে সেসিপ প্রকল্পের কোনো কর্মকর্তা প্রশিক্ষক( ট্রেইনার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। সরকারি ও বেসরকারি (এমপিওভুক্ত) হাইস্কুলের শিক্ষকরা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে যথেষ্ট দক্ষতা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই নতুন কারিকুলাম প্রশিক্ষণ শেষ না হতেই প্রশিক্ষকরা অবসরে যাওয়ার কথা অবান্তর। কোনো শিক্ষক প্রশিক্ষকের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়নি।

সেসিপ প্রকল্পের মেয়াদ গত ৩১/১২/২০২৩ খ্রি: তারিখে শেষ। মহামান্য আদালতের রায়, প্রজেক্ট কর্মকর্তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক সরকার প্রকল্পের কর্মকর্তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের কোনো সম্পর্ক নেই। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকরাই যথেষ্ট।

প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকরাও এবার খুবই আন্তরিক, মনোযোগী ও সন্তুষ্ট ছিলেন। শিক্ষকদের মাধ্যমেই শিক্ষার রূপান্তর ঘটেছে এবং ঘটবে। তাই মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকরা নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মূল্যায়নসহ যাবতীয় কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে এটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে দৃঢ় সংকল্প।

বার্তা কক্ষের বক্তব্যঃ

শিক্ষাবার্তা সব সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এবং  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে পরিচালনার স্বার্থে সহযোগী ও সহযাত্রী হিসেবে কাজ করে আসছে, অতীতে করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতেও এই নীতির পরিপন্থী কোন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকবেনা। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ব্যক্তি কিংবা কোন গোষ্ঠীর হীণ স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষে কোন ধরণের সংবাদ প্রকাশ করেনি। শিক্ষা বিষয়ক দেশের অন্যতম প্রধান এই সংবাদ মাধ্যম অনেক সময় দেশের জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সংবাদ সূত্র সহ প্রকাশ করে। পাঠানো প্রতিবাদ লিপির সংবাদটিও তেমন প্রকাশ করা একটি সংবাদ। যা জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠ থেকে নেওয়া। যদিও সংবাদটি নেওয়ার আগে তা যাচাই বাছাই করার প্রয়োজন ছিল যা করা হয়নি বলে প্রকাশিত সংবাদের  দুঃখ প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১০/০১/২০২৪ 

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.