কাটছাঁট করে খেতে হচ্ছে ওষুধও

নিউজ ডেস্ক।।

লাগামহীন মূল্যস্ফীতির চাপে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের সংসার চলছে টানাটানি করে। রেকর্ড খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে দৈনন্দিন খাদ্য তালিকা কাটছাঁট করে চলতে হচ্ছে তাদের। এর মধ্যে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের মূল্যবৃদ্ধিও লাগামহীন হয়ে পড়েছে। দফায় দফায় ওষুধের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি বিপাকে ফেলেছে সাধারণ মানুষকে। মে মাসে ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ এবং আগস্টের শেষের দিকে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে। মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে দুই দফা দাম বাড়িয়েছে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এ অবস্থায় সীমিত আয়ের পরিবারগুলোতে কেউ অসুস্থ হলে ভাত খাবে না ওষুধ খাবেÑ এমন দোটানা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই ওষুধ সেবনের এক মাসের কোর্স এক সপ্তাহ পরই বাদ দিচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে, এ বছর প্রথম দফায় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেই ওষুধের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তবে দ্বিতীয় দফায় দাম বাড়ানো হয় অনেকটা গোপনে। যদিও নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বলছে, তাদের অনুমতি ছাড়া ওষুধের দাম বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

রাজধানীর অন্তত ১০টি এলাকার খুচরা ওষুধ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা গেছে ওমিডন, ওমিপ্রাজল ও সার্জিলসহ বেশ কয়েকটি ওষুধের দাম নতুন করে বাড়ানো হয়েছে। গত প্রায় দুই মাস ধরে ২০ শতাংশের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এসব ওষুধ।

তবে দাম নিয়ন্ত্রণে অনেকটা নিরুপায় সরকারি সংস্থা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)। চলমান বৈশ্বিক সংকট, ডলারের উচ্চমূল্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও তেলসহ সরকারি প্রতিটি সেবায় (ইউটিলিটি) খরচ বাড়ায় কোম্পানিগুলো দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। এমনকি দাম না বাড়ালে উৎপাদন বন্ধের হুশিয়ারিও দিয়েছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

তবে দাম বাড়ানোকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে মনে করছে কনজ্যুমারস অ্যাসোয়িশেন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও ফার্মেসির মালিকরা। তারা বলছেন, জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে মানুষকে কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে সংসার চালাতে। সেখানে দফায় দফায় ওষুধের দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিতা নেই। সংকট শুরুর আগে থেকে ওষুধের দাম বাড়তি ছিল। বৈশি^ক সংকট ও ডলারের উচ্চমূল্যের কারণে যতটুকু বাড়ানোর কথা, তার চেয়েও অনেক বেশি বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু জনগণের স্বার্থ না দেখে কোম্পানিগুলোর দেওয়া প্রস্তাবেই সায় দিচ্ছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,

আশির দশক থেকে ১১৭টি ওষুধের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেয় ডিজিডিএ। এর বাইরের ওষুধের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রণ নেই সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির। এসব কোম্পানির ওষুধের দর নির্ধারিত হয় নিজেদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে।

ডিজিডিএ সূত্রে জানা গেছে, বছরের মাঝামাঝি অত্যাবশ্যকীয় ৫৩ ওষুধের দাম বেঁধে দেয় সরকার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫২টি ওষুধের দাম বাড়িয়েছে অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড। সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছে তারা। কোম্পানিটির উৎপাদিত প্রতি পিস ১০ টাকার অস্টোজেন প্লাস ইএফ ট্যাবলেট এখন ১৫ টাকা।

অন্যদিকে ইনসেপ্টা ৪৭টি ওষুধের দাম বাড়িয়েছে ৩৭ শতাংশ, স্কয়ার ৩৯টির ২৮ শতাংশ, হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ৩৬টির ৩৩ শতাংশ, বেক্সিমকো ১৪টির ৪১ শতাংশ, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস ৪৬টি ওষুধের দাম বাড়িয়েছে ৩৩ শতাংশ। অপসোনিন, হেলথকেয়ার, ইনসেপ্টা এবং রেডিয়েন ফার্মাসিউটিক্যালসসহ শীর্ষ ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রতিটি ওষুধে ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ দাম বাড়িয়েছে।

এমন চড়া দাম বাড়িয়েও ক্ষান্ত হয়নি প্রস্তুতকারী এসব প্রতিষ্ঠান। অনেকটা গোপনে আবারও দাম বাড়ানো হয়েছে। বেশ কয়েকটি ওষুধের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। রাজধানীর মালিবাগ, রামপুরা, কলেজগেটসহ বেশ কয়েকটি এলাকার ওষুধ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

এতে দেখা যায়, পাঁচ মাস আগে ইনসেপ্টার ওমিডন ১০ মিলিগ্রামের দাম ছিল ৩ টাকা, দুই মাস ধরে নেওয়া হচ্ছে সাড়ে ৩ টাকা, দাম বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ। একই কোম্পানির ৫ টাকার ওমিপ্রাজল ২০ মিলিগ্রামের দাম ২০ শতাংশ বাড়িয়েছে নেওয়া হচ্ছে ৬ টাকা। নভো হেলথকেয়ার অ্যান্ড ফার্মা লিমিটেডের ৭ টাকার ইসোমিপ্রাজল ২০ মিলিগ্রামের দাম দুই মাসের ব্যবধানে হয়েছে ৮ টাকা।

হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সার্জিল ৪০ মিলিগ্রামের দাম ১০ টাকা থেকে বেড়ে এখন হয়েছে ১১ টাকা। এ ছাড়া ন্যাপ্রোক্সেন প্লাস ২০ মিলিগ্রামের দাম ১০ টাকা থেকে বেড়ে ১৫ টাকা, মনটেয়ার ১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৭ টাকা ৫০ পয়সা।

বেড়েছে অ্যান্টিবায়োটিকের দামও। সিফোক্সিম ৫০০ মিলিগ্রামের দাম মাস ছয়েক আগে যেখানে ৩৫ টাকা ছিল, এখন তা প্রতি ট্যাবলেটে ১০ টাকা বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে ৪৫ টাকা। শুধু ট্যাবলেট নয়, বেড়েছে সিরাপের দামও। অ্যারিস্টোফার্মা লিমিটেডের এভোল্যাক সিরাপ ছয় মাস আগে ছিল ২৩০ টাকা। এর দুই দফায় ৬০ টাকা বেড়ে এখন তা ২৯০ টাকা। একই কোম্পানির ইমেপ ৩০ মিলিগ্রামের চার মাস আগে প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম ৭ টাকা হলেও এখন ৮ টাকা।

ওষুধের দাম বাড়ানো নিয়ে হঠকারিতায় রোগীদের পাশাপাশি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফার্মেসির মালিকরা। মালিবাগের বিসমিল্লাহ ফার্মেসির মালিক জাহিদ হাসান বলেন, ‘ত্রিশ বছর ধরে ফার্মেসি চালাই। এক সময়ে পাঁচ থেকে সাত বছর পর কোনো একটা ওষুধের দাম সর্বোচ্চ ১ টাকা বাড়ত। এখন দু-চার মাস পর পরই বাড়ানো হচ্ছে। আগে ন্যূনতম এক মাস আগে কোম্পানিগুলো বিষয়টি আগাম জানিয়ে দিত। কিন্তু এখন কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়াই বাড়িয়ে দিচ্ছে।’

এসব দাম বাড়ানোতে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস সবার থেকে এগিয়ে বলেও জানান তিনি।

কাঁচামাল আমদানিতে বাড়তি খরচ ও এলসি জটিলতার কারণে দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ওষুধশিল্প সমিতির মহাসচিব এসএম শফিউজ্জামান। তিনি বলেন, ‘অনেক দিন ধরে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় লস দিয়ে ওষুধ বিক্রি করে আসছিল। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর যেসব ওষুধের দাম নির্ধারণ করে দেয়, তার বাইরেও ওষুধ রয়েছে। চলমান বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব অন্যান্য খাতের পাশাপাশি ওষুধেও পড়েছে। আগে যেখানে এক ডলার পাওয়া যেত ৮০ টাকায়, এখন তা ১২০ টাকায়। ফলে অতিরিক্ত দাম দিয়ে কাঁচামাল আনতে হচ্ছে। এ ছাড়া এলসি (ঋণপত্র) খুলতেও সমস্যা হচ্ছে। ওষুধ যে এখনো তৈরি হচ্ছে, এটাই অনেক বেশি।’

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের বিপরীত দিকে সানমুন, রহমান, গ্রীন লাইফসহ বেশ কয়েকটি ওষুধ বিক্রির দোকান। সানমুন ফার্মার মালিক মো. সবুজচন্দ্র পোদ্দার বলেন, ‘গত ছয় মাসে একাধিকবার ওষুধের দাম বাড়িয়েছে কোম্পানিগুলো। কেন দাম বাড়ছে কিছুই জানানো হচ্ছে না। এতে করে সাধারণ মানুষ খুবই বিপদে পড়েছে। অনেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ঠিকমতো কিনতে পারছে না। চিকিৎসক এক মাসের ওষুধ দিলে রোগী নিচ্ছে এক সপ্তাহ, সর্বোচ্চ ১৫ দিনের। কারণ তাকে খাবার কেনাসহ সংসারের অন্যান্য দ্রব্যের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হচ্ছে।’

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা আবু সাঈদ দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে। এ জন্য নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হয় তাকে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রতিমাসে দুই হাজার ৩১৮ টাকার ওষুধ খেতে হয় তাকে। তবে এ মাসে পূর্ণ কোর্সের ওষুধ কেনার মতো অবস্থা নেই। তাই অর্ধেক কিনে ফেরেন বাসায়।

আবু সাঈদের চেয়েও ভয়ঙ্কর অবস্থা দুটি কিডনি বিকল হওয়া সিরাজগঞ্জের মিন্টু মিয়ার (৪৪)। প্রতিস্থাপন করতে না পারায় ডায়ালাইসিসই ভরসা তার। প্রতি সপ্তাহে দুটি করে মাসে আটটি ডায়ালাইসিস নিতে হয় তাকে। সঙ্গে খেতে হয় নিয়মিত ওষুধ। চিকিৎসার পেছনে ইতোমধ্যে ঘরবাড়ি, গরু-ছাগল যা ছিল সব বেচে দিতে হয়েছে। প্রায় সময় অসুস্থ থাকায় হারিয়েছেন চাকরিও। বর্তমানে পোশাক শ্রমিক স্ত্রী ও মেয়ের চাকরির বেতনে চলছে চিকিৎসা ও সংসার। আর্থিক সংকটে নিয়মিত ওষুধ খেতে না পারায় রক্তচাপ বেড়ে যাওয়াসহ দেখা দেয় নানা জটিলতা।

গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও ইউরোলজি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটিতে বেসরকারি কোম্পানি স্যানডোরে ডায়ালাইসিস নিচ্ছেন মিন্টু। এ সময়  তিনি বলেন, ‘সাত বছর ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগছি। ডায়ালাইসিসের পাশাপাশি ওষুধই আমার ভরসা। কিন্তু দোকানে গেলে না কিনে ফিরে আসি। একেকটা ট্যাবলেটের দাম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। যেগুলোর দাম কম কেবলমাত্র সেগুলো নিই। তিনি বলেন, এমনিতেই টাকা নেই। এখন ওষুধের দামও চড়া। ঠিকমতো সংসার চলবে নাকি ওষুধ খাব, এটাই চিন্তার বিষয়। তাহলে বাঁচব কীভাবে?’

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও সংস্থাটির উপপরিচালক মো. নূরুল আলম  বলেন, ‘আমরা ১১৭টি ওষুধের দাম নির্ধারণ করে দেই। বাকিগুলো আমরা সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করি না। তবে কাঁচামাল আমদানি ও উৎপাদন খরচসহ সবকিছু চূড়ান্ত করে আমাদের কাছে দামের প্রস্তাব দিলে আমরা সবকিছু দেখে নির্ধারণ করে দেই। ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব মিলিয়ে দাম সমন্বয় করা হয়। তা না হলে উৎপাদন বন্ধ করার হুমকি দেয় কোম্পানিগুলো। তিনি বলেন, ওষুধের দাম সরকারকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে আমাদের সব ধরনের দায়িত্ব দিতে হবে। দীর্ঘ সময় ধরে মাত্র ১১৭টির পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এই সংখ্যা বাড়াতে পারলে মানুষের জন্য অনেক সুবিধা হবে। আইনের বাইরে গিয়ে আমাদের কিছু করার সুযোগ নেই।

স্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই মাহবুব  বলেন, ‘সবকিছুর দাম বেড়েছে, তাই ওষুধের দাম বাড়ানোও একেবারে অযৌক্তিক নয়। তবে সেটি কতটা যৌক্তিক পর্যায়ে রয়েছে সেটি দেখার দায়িত্ব ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের।’

ক্যাবের সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন   বলেন, ‘সাধারণ মানুষ খেতে পারছে না। ওষুধের টাকা ম্যানেজ করা তো আরও কঠিন। একদিকে তাদের খাবারের কষ্ট, অন্যদিকে ওষুধ ঠিকমতো কিনতে না পারায় ধুঁকে ধুঁকে মরছে। শুধু ওষুধ নয়, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ও রোগী দেখার ফি বেড়েছে। তাহলে একটা মানুষ বাঁচবে কীভাবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘ওষুধের বাজার মাসের প্রথম দিকে এক ধরনের, শেষের দিকে আরেক ধরনের। প্রতিমাসে কোম্পানিগুলো দাম বাড়াচ্ছে। কিন্তু এগুলো দেখা ও নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ ডিজিডিএ। অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের বাইরে তারা কিছু করতে পারে না বলে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। এসব কোম্পানিকে তারাই লাইসেন্স দিয়েছে। তাহলে কেন বাড়াল সেটি চাইলেই তারা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে উল্টোচিত্র, বরং দাম বাড়ানোয় সায় দিচ্ছে ডিজিডিএ। তাদের কারণেই আজ ওষুধের দাম এতটা লাগামছাড়া। তাদের কার্যক্রম অনেকটা একপেশে, অথচ উচিত ছিল জনগণের স্বার্থে কাজ করা।’

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০৫/১০/২০২৩    

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.