নীলফামারীঃ জেলার ডোমারে ভুয়া নিয়োগ পত্র দিয়ে টাকা নেওয়ার প্রতারণার মামলায় কারাগারে গেলেন ডোমার উপজেলার বামুনিয়া বালিকা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ময়বুল ইসলাম।
বুধবার জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
অভিযোগ মতে, ময়বুল ইসলাম ২০১৪ সালে রেজাউল ইসলাম নামে এলাকার এক যুবককে বিদ্যালয়ের সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। পরে ওই যুবক প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ডোমার থানায় মামলা দায়ের করেন।
থানা পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে ময়বুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৬ লাখ টাকা গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়। মামলায় ২০২২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ময়বুল ইসলাম আদালতে হাজির হয়ে বাদীর সঙ্গে আপস শর্তে এক লক্ষ টাকা বাদীর হাতে তুলে দিয়ে জামিন পান। শর্ত অনুযায়ী সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ না করায় বুধবার আদালত তার পূর্বের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বাদী রেজাউল ইসলামের আইনজীবী মো. সাদেকুল ইসলাম বলেন, ময়বুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের মামলা হয়। উনি টাকা পরিশোধ করবেন শর্তে বিজ্ঞ আদালত জামিন দিয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করায় বুধবার জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে প্রধান শিক্ষক ময়বুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর ভাতা আত্মসাৎ, সরকারি গাছ কর্তন করে আত্মসাৎসহ নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের তদন্তে এসব অভিযোগের সত্যতা মেলে। ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে ময়বুল ইসলাম প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০০০ সালে। প্রায় ২২ বছরের দায়িত্বে থেকে তিনি এসব অনিয়মে জড়ান।
ডোমার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাকেরিনা বেগম এ বিষয়ে বলেন, ‘আজকে ওনার মামলার তারিখ ছিল এটা জানি, আটক হয়েছেন কি না সেটা এখনো শুনিনি।’
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৭/০৭/২০২৩
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
