ঝিনাইদহঃ জেলার শৈলকূপা উপজেলার বাজারগুলোতে কাঁচামরিচ এক হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষ কাঁচামরিচ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন।
এছাড়া ঝিনাইদহ সদর, হরিণাকুন্ডু উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় ৮০০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে।
জেলার বিভিন্ন হাট বাজারগুলোতে সরেজমিনে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাহিদার তুলনায় কাঁচা মরিচের উৎপাদন কম হওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। গত তিন থেকে চার দিন আগেও ৩ শ থেকে ৩২০ টাকা দরে যে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছিল সেটা এখন লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বৃদ্ধি পেয়ে ১০০০ টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
কাঁচামরিচ কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, প্রতিদিন যে টাকা আয় করি তার মধ্যে বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে গেলে অন্য বাজার করা কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এক হাজার টাকার এক পয়সা কমেও কাঁচামরিচ পাওয়া যাচ্ছে না। এক কেজি কাঁচামরিচে এখন এক কেজি খাসির মাংস পাওয়া যাচ্ছে।
শৈলকুপা বাজারের এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী গণমাধ্যমকে জানান, তিনি প্রতিদিন ২ থেকে ৩ মণ কাঁচামরিচ বিক্রি করেন। শনিবার তিনি ১০ কেজিও মরিচ কিনতে পারেননি। যা পেয়েছেন, তা এক হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন।
এক কেজি কাঁচামরিচ পাইকারি বাজার থেকে সাড়ে ৮০০ টাকায় কিনেছেন বলে জানান তিনি। মরিচের দাম রাতারাতি হাজার টাকা হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ভারত থেকে যে মরিচ আসত, তা এখন আর আসছে না। এছাড়া প্রচণ্ড তাপদাহে মরিচের গাছ বাড়েনি। এর মধ্যে বৃষ্টিতে গাছও মারা যাচ্ছে। এ কারণে কাঁচামরিচ পাওয়া যাচ্ছে না।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঝিনাইদহের উপ পরিচালক মো. আজগর আলি বলেন, আগে তাপ প্রবাহের কারণে মরিচের উৎপাদন কম হত। বর্তমানে বৃষ্টির কারণে ফুল ও ফল নষ্ট হচ্ছে। উৎপাদন কম হচ্ছে।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০১/০৭/২০২৩
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
