সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে দুই শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে এক স্কুলছাত্রী। টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি শেষ করার চাপ দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথপুরের খাসিলা পূর্বপাড়া গ্রামের ওই কিশোরী স্থানীয় আটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। পাশাপাশি বাড়ি বাপ্পা ও কিশোরীর। সৈয়দ আইডিয়াল গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষক মিশন সেন বাপ্পা ওই কিশোরীকে বাড়িতে প্রাইভেট পড়াতো। প্রাইভেট পড়ানোর সুবাধে বাপ্পা প্রায় সময় মেয়েটিকে কু-প্রস্তাব দিতো। এমনকি প্রেমেরও আবেদন জানায়। কিন্তু ওই কিশোরী কখনোই বাপ্পার প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি।
গত ৪ মার্চ ওই কিশোরী জেএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করতে স্কুলে যায়। স্কুল থেকে ফেরার পথে কলকলি বাজারের কাছে ব্রিজের ওপর ওঠামাত্র বাপ্পা কাউছার ড্রাইভারের সিএনজি অটোরিকশাতে জোরপূর্বক তুলে নেয়।
পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি বাপ্পা ও গাড়ি চালক কাউছারকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল জানিয়েছেন, প্রধান আসামি বাপ্পা ঘটনা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সিএনজি অটোরিকশাযোগে মেয়েটিকে নিয়ে সে ও আজাদ মিলে ধর্ষণ করে বলে জানায়। এখন দুই আসামি কারাগারে। আব্দুস সামাদ আজাদ নামের আরেক স্কুলশিক্ষক পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
