নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়ে দশম গ্রেড, প্রধান শিক্ষকদের নবম গ্রেড করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকেরা ১৩তম গ্রেডে ও প্রধান শিক্ষকেরা ১১তম গ্রেডে বেতন পান।
রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. গাজীউল হক চৌধুরী।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে (ইউআরসি) কর্মরত ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের ‘সহকারী ইনস্ট্রাক্টর’ পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব বাতিল করা, অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের মতো ছুটি রেখে প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি ‘নন-ভ্যাকেশনাল’ হিসেবে গণ্য করা, দ্রুত সময়ের মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি ও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন এবং বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অবিলম্বে নবম পে স্কেল ঘোষণা করা।
সমিতির সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী প্রামাণিক, মহিলা সম্পাদক বাঁধন খান পাঠান প্রমুখ।
প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ৫ দফা দাবি-
১. সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ৯ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত, নাকি পদোন্নতিপ্রাপ্ত এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত না প্রশিক্ষণবিহীন এসব বৈষম্য দূর করা এবং প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল প্রাপ্তির সকল জটিলতা নিরসন করা।
২. ইউআরসিতে কর্মরত ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের ‘সহকারী ইন্সট্রাক্টর’ পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখের প্রস্তাব বাতিল কো।
৩. প্রাথমিক স্কুলকে ভোকেশনাল ডিপার্টমেন্ট আখ্যা দিয়ে অন্যান্য শিক্ষা বিভাগের তুলনায় ছুটি কমিয়ে দেওয়া বৈষম্যমূলক। অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের মতো ছুটি রেখে প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরী নন-ভোকেশনাল হিসেবে গণ্য করা।
৪. পদোন্নতির সকল প্রকার জটিলতা নিরসন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি প্রদান ও চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন এবং প্রধান শিক্ষকদের সিনিয়রিটি ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদ থেকে পরিচালক পর্যন্ত পদোন্নতি দেওয়া।
৫. বর্তমান দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির সাথে সমন্বয় রেখে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য অবিলম্বে ৯ম পে স্কেল এবং ৯ম পে-স্কেল ঘোষণার আগেই ৫০% মহার্ঘ্য ভাতা প্রদান করা।
সংবাদ সস্মেলনে আরও উপস্থিতি ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুব্রত রায়, সিনিয়র সহ সভাপতি কামরুল হাসান ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী প্রামানিক, মহিলা সম্পাদিকা বাধন খান পাঠান ববি প্রমুখ।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১০/০৪/২০২৩
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
