এইমাত্র পাওয়া

২০৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা উপবৃত্তি পাবে

নিউজ ডেস্ক।।

শিশুকল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত ২০৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপবৃত্তি পাবে। এ লক্ষ্যে ‘উপবৃত্তি কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা-২০২১’ ও ‘প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম বাস্তবায়ন অপারেশনাল ম্যানুয়েল-২০২১’ সংশোধন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শিশুকল্যাণ ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) প্রবীর কুমার হালদার আমাদের সময়কে বলেন, ইতোমধ্যে শিশুকল্যাণ ট্রাস্টের আওতাধীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় উপবৃত্তি প্রদানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট নীতিমালা সংশোধন করা হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের উপবৃত্তি প্রদান শুরু হলে শিশুকল্যাণ ট্রাস্টের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও পাবে। বিদ্যমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ন্যায় শিশুকল্যাণ ট্রাস্টের আওতাধীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সব তথ্য এন্ট্রি হওয়ার পর পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে উপবৃত্তির অর্থ বিতরণ করা হবে। ছাত্রছাত্রীদের আইডি হালনাগাদের কাজটি ‘প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের প্রোফাইল প্রণয়ন প্রকল্প’র মাধ্যমে চলমান আছে।

শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমাতে এবং মেয়েশিক্ষার্থীদের ক্লাসে ধরে রাখার জন্য ১৯৯৯ সালে উপবৃত্তি চালু হয়। এখন ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দিচ্ছে সরকার। এই উপবৃত্তির অর্থ পেত না শিশুকল্যাণ ট্রাস্টের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়–য়া ৩১ হাজার ৮৫০ শিক্ষার্থী। তবে প্রতিবছর শিশুকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২২০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়। একবার বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীরা অধ্যয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও বার্ষিক সন্তোষজনক ফলের ভিত্তিতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বৃত্তি সুবিধা পায়। বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের মাসিক মেধা কোটায়

৭শ টাকা ও সাধারণ কোটায় ৬শ টাকা হারে বৃত্তি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার ৯৭.৯৬ এবং ঝরে পড়ার হার ১৯.২ শতাংশ। বিভিন্ন কারণে ছাত্রছাত্রীরা ঝরে পড়ে। অতিদরিদ্র, শ্রমজবী অন্যতম কারণ। শিশুকল্যাণ ট্রাস্টের লক্ষ্য এসব ঝরে পড়া ছাত্রছাত্রীরা। এ জন্য ১৯৯২ সালে শিশুকল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা হয়।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.