এইমাত্র পাওয়া

প্রাথমিকে মনোনীত শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ হবে মার্চে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তঃউপজেলা সহকারী শিক্ষকদের দুই দফায় বদলি কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এবার সোমবার থেকে ঢাকাসহ দেশের অন্তঃবিভাগে বদলি আবেদন শুরু হবে।  এরপর বদলির জন্য মনোনীত শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ হবে মার্চের মধ্যে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

এ বিষয়ে ডিপিই’র মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, অন্তঃউপজেলা সহকারী শিক্ষকদের দুই দফায় বদলি কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এবার সোমবার থেকে ঢাকাসহ দেশের অন্তঃবিভাগে বদলি আবেদন শুরু হবে। অর্ডার জারি হবে মার্চের মধ্যে।

ঢাকায় বদলির ক্ষেত্রে কাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে জানতে চাইলে ডিপিই’র মহাপরিচালক বলেন, শিক্ষক বদলির নীতিমালা অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল, জটিল ব্যাধিতে আক্রান্ত, তালাকপ্রাপ্তদের ঢাকার বাইরের জেলা থেকে ঢাকায় বদলির জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এর আগে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে সচিব ফরিদ আহম্মদ বলেছিলেন, অনলাইনে শিক্ষক বদলি নিয়ে অনেকদিন ধরে পাইলটিং করেছে মন্ত্রণালয়। আমরা খুবই ডায়নামিক একটি সফটওয়্যার করেছি। এ সফটওয়্যারের কিছু সমস্যা ছিল। সমস্যাগুলো চিহ্নিত ও শিক্ষকদের চাহিদা বিবেচনা করে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর একটি সমন্বিত নীতিমালা জারি করেছি। এটার আলোকে প্রথমপর্যায়ে অন্তঃউপজেলা বদলি কার্যক্রম শুরু হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে ২৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে। বিশ্বাস করি এর মাধ্যমে ৯৮ শতাংশ শিক্ষক সন্তুষ্ট হয়েছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপজেলাভিত্তিক নিয়োগ করা হয় এবং বিভিন্ন সময় আন্তঃজেলা, আন্তঃউপজেলা এবং আন্তঃবিভাগে যৌক্তিক প্রয়োজনে বদলি করা হয়ে থাকে। কিন্তু দেখা গেছে, এ বদলিকে কেন্দ্র করে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত একটি বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হতো, নানা জায়গা থেকে বদলির জন্য সুপারিশ, অনুরোধ, আবেদন, সাক্ষাৎ, যোগাযোগ এসব ছিল নৈমিত্তিক ব্যাপার।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিপুল সংখ্যক শিক্ষককে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে দ্রুততার সঙ্গে অনলাইনে বদলির সিদ্ধান্ত হয়। পাইলটিং করে প্রায় ৪ লাখ শিক্ষককে দ্রুত সময়ে বদলিতে গত ২২ ডিসেম্বর অনলাইন বদলি নীতিমালা জারি করা হয়েছে। প্রথমপর্যায়ে মাত্র সাতদিনের মধ্যে অনলাইনে বদলির জন্য করা ২৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের কার্যক্রমের জন্য নেওয়া হয়েছে পরিকল্পনা।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৯/০২/২৩   


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.