এইমাত্র পাওয়া

লালমোহনে শিক্ষক পরিবারের উপর হামলা

শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ ভোলার লালমোহনে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও তার পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় তিন নারীসহ আরও ৭ জন গুরুতর আহত হয়ে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। আহতরা হলেন, রাজিয়া, তহমিনা, ফিমাহ, মোঃ ফিরোজ, আঃ রহমান, নাগর মাল ও সাঈদ মাল।

এদিকে গুরুতর আহত সাঈদ মালকে ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড কচুয়াখালী গ্রামের আলী একাব্বর মাঝি বাড়ির দরজায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, দক্ষিণ কচুয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ ফিরোজ মিয়ার পরিবারের সাথে আলী একাব্বর মাঝি বাড়ির আনিচুল হক গংদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। তারই জেরে বিভিন্ন সময় ফিরোজ মিয়াসহ তার পরিবারের লোকজনের ক্ষতি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে আনিচুল হক গংরা।

শিক্ষক মোঃ ফিরোজ বলেন, সোমবার সকালে নিজ বাড়ির পুকুরে গোসল করতে গেলে আনিচুল হকের নাতি সবুজ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে আমার গায়েও হাত তোলে। এসময় আমার ডাক চিৎকারে বাড়ির লোকজন ছুটে আসলে সরে যায় সবুজ। পরে আমার ছোট ভাই সাঈদ মালের মোটরসাইকেল যোগে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করলে পথিমধ্যে আনিচুল হকের ছেলে মাসুদ, সিরাজ, বেল্লাল, কুদ্দুস, নুরুদ্দিন ও আনিচুল হকের নাতি সবুজ,মামুন, হেলালসহ আরও কয়েকজন মিলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা করে। তাদের হামলায় ছোট ভাই সাঈদ মালের হাতের কব্জি ভেঙে যায়।

এদিকে সংবাদ পেয়ে আমাদের বাঁচাতে বাড়ি থেকে রাজিয়া, তহমিনা, ফিমাহ ও নাগর এগিয়ে আসলে তাদেরকেও মারধর করা হয় এবং নারীদের পরিহিত স্বর্ণালংকার ও নাগরের কাছে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আনিচুল হকের ছেলে ইব্রাহিম সবুজ হামলার বিষয় অস্বীকার করে বলেন, তারা আমাকেসহ আমার পরিবারের ওপর হামলা করেছে।

লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে কোন পক্ষের অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০৬/০২/২৩   


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.