স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত্তি কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গঠিত কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশনকে স্মার্ট বাংলাদেশের মূলভিত্তি বলে মনে করেন জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী।

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে এক আলোচনাসভায় তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায়

আমূল পরিবর্তনের জন্য বঙ্গবন্ধু কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন যাতে এই দেশের ছেলেমেয়েরা বিজ্ঞানমনস্ক হয় এবং উন্নত চিন্তার অধিকারী হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ‘ভেঙেছ দুয়ার এসেছ জ্যোতির্ময়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এ কথা বলেন তিনি।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরে মতিয়া চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ সময়, মাসের পর মাস পাকিস্তানের কারাগারে এবং নানা ধরনের অমানুষিক নির্যাতনে এটা অনিশ্চিত ছিল যে, তিনি এই দেশের মাটি জীবিত স্পর্শ করতে পারবেন কি না। অবশেষে ১০ জানুয়ারি তিনি আবির্ভূত হলেন বাংলার মাটিতে। সেদিন পুরনো বিমানবন্দরে লোকে-লোকারণ্য হওয়ার ফলে বিমান মার্টি স্পর্শ করতে পারছিল না। সবাই বঙ্গবন্ধুকে ছুঁয়ে দেখতে চেয়েছিল।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রধান দিক হলো সততা, মহানুভবতা, দেশপ্রেম এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা।

আলোচনাসভায় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াও বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০১/২০/২৩  


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.