স্পোর্টস ডেস্ক।।
খেলা শুরুর পর পরিবর্তন নয়: খেলা শুরু হয়ে গেলে কনকাশন ছাড়া খেলোয়াড় পরিবর্তন করা যাবে না। তবে ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে কেউ চোটে পড়লে প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়কের অনুমতি নিয়ে খেলোয়াড় পরিবর্তন করা যাবে। প্রথমে ব্যাটিং দলের কেউ চোটে পড়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলে ফিল্ডিংয়ে বদলি নিতে পারবে। এ ব্যাপারে বিসিবির আম্পায়ার্স এডুকেটর এনামুল হক মনি বলেন, ‘কনকাশন না হলে রিপ্লেসমেন্ট পাবে না। কাঁধ আর মাথায় খেলার সময় আঘাত পেলে কনকাশন সাব নিতে পারবে। কেউ হয়তো ডাইভ দিয়ে চোট পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে আম্পায়ার একজনকে অনুমোদন দেবে ফিল্ডিং করার জন্য। বিকল্প ক্রিকেটার উঠে গেলে চোট পরিচর্যা করে বোলিং করতে পারবে।
৪০ মিনিট মাঠে থাকার বাধ্যবাধকতা: একজন ক্রিকেটার ব্যাটিং বা বোলিং করতে গিয়ে চোট পেলে বাইরে যেতে পারবে। এ ক্ষেত্রে পুরো সময় মাঠের বাইরে থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না। টি২০তে একজন ক্রিকেটারকে ন্যূনতম ৪০ মিনিট ব্যাটিং বা ফিল্ডিং করতে হয়। ১৭০ মিনিটের মধ্যে নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে ৪০ মিনিট মাঠে থাকতেই হবে।
নকআউটে ডিআরএস: গত বিপিএল থেকেই ডিআরএসের ব্যবস্থা করতে পারেনি বিসিবি। বিকল্প ডিআরএস দিয়ে খেলা চালাচ্ছে। তবে এবার নকআউট পর্ব বা সুপার ফোর থেকে ডিআরএস থাকবে। ডিআরএস না থাকায় আম্পায়ারদেরও চ্যালেঞ্জটা বেড়ে যায় ম্যাচ পরিচালনার ক্ষেত্রে।
বিদেশির পরিবর্তে লোকাল: বিপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারের পরিবর্তে দেশি ক্রিকেটারকে ফিল্ডিংয়ে নামানো যাবে। অর্থাৎ বিদেশির বদলি দেশি ক্রিকেটার ফিল্ডিং করতে পারবেন। তবে দেশি ক্রিকেটারের পরিবর্তে বিদেশিকে ফিল্ডিংয়ে নামানো যাবে না। কনকাশন সাবের ক্ষেত্রে বিদেশির জায়গায় দেশি নামতে পারবে।
অন্তত দু’জন বিদেশি: একটি দলকে ন্যূনতম দু’জন বিদেশি ক্রিকেটার খেলাতে হবে। কোনো কারণে দু’জন বিদেশি নামাতে ব্যর্থ হলে ১০ জন নিয়ে খেলতে হবে। স্বাস্থ্যহানিজনিত কারণে কোনো বিদেশি না নামাতে পারলে বিশেষ অনুমোদন নিয়ে ৯ জনের দল খেলবে। বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারজনকে একাদশে রাখা যাবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
