মেট্রোরেলে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হাফ পাস’ থাকছে না। ফলে শতভাগ সরকারি মেট্রোরেলে অর্ধেক ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারবেন না শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীতে আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশন কনকোর্স লেভেলে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন মেট্রোরেলের নির্মাণকারী সরকারি কোম্পানি ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম এ এন ছিদ্দিক। দেশের প্রথম মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬ এর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশ উদ্বোধন উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
গত ৮ সেপ্টেম্বর মেট্রোরেলের ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকা অনুযায়ী, ২১ দশমিক ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি-৬ লাইনে ভাড়া ২০ থেকে ১০০ টাকা। উত্তরা নর্থ স্টেশন (দিয়াবাড়ী) থেকে আগারগাঁওয়ের ভাড়া ৬০ টাকা। কমলাপুর পর্যন্ত ভাড়া ১০০ টাকা। স্মার্ট কার্ডে ভাড়া পরিশোধ করলে ১০ শতাংশ ছাড় পাবেন যাত্রীরা। বিনা ভাড়ায় ভ্রমণ করতে পারবেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
মেট্রোরেলের বগিতে সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ২ হাজার ৩০৮ যাত্রী। দুই মিনিটেরও কম সময়ে এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে যাবে মেট্রোরেলের বিদ্যুৎচালিত ট্রেন। স্মার্ট কার্ড ছাড়াও স্টেশন থেকে টিকিট কেটে ভ্রমণ করা যাবে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকায় নির্মাণাধীন মেট্রোরেলে। ভাড়া টাকায় ট্রেন পরিচালনার ব্যয় এবং নির্মাণ খরচের ঋণ শোধ করতে হবে। ভাড়ার টাকায় তা হবে না, ফলে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় মেট্রোরেলের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পর থেকে ২৬ মার্চের আগ পর্যন্ত উত্তরা-আগারগাঁও রুটে মেট্রোরেল মাঝখানের কোনো স্টেশনে থামবে না। আগামী ২৬ মার্চ থেকে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে পুরোদমে চলবে মেট্রোরেল। সেদিন থেকে সব স্টেশনে থেমে যাত্রী তুলবে।
ডিএমটিসিএলের এমডি এম এ এন ছিদ্দিক জানান, অন্যান্য স্টেশনে মেট্রোরেল থামানোর জন্য তাঁদের সব প্রস্তুতি আছে। কিন্তু মানুষ অভ্যস্ত নয় বলে এখনই তাঁরা থামাচ্ছেন না। এই তিন মাস মানুষকে অভ্যস্ত করা হবে।
আজ সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে উত্তরা থেকে মতিঝিল এবং ২০২৫ সালে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত চলবে মেট্রোরেল। সে ক্ষেত্রে পুরোটা চালু হলে উত্তরা থেকে মতিঝিলে যেতে ৩৮ মিনিট লাগবে। ঘণ্টায় ৬০ হাজার অর্থাৎ দিনে ৫ লাখ যাত্রী মেট্রোরেলে চলাচল করতে পারবেন।
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, মেট্রোরেলের আগামীকালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আতশবাজির কর্মসূচি ছিল। সেটা বাদ দেওয়া হয়েছে। পদ্মা সেতুর আদলে সুধী সমাবেশের মাধ্যমে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করা হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
