তবে কোনো ভাষার পরিষেবাই একেবারে বন্ধ হচ্ছে না। অনেকগুলোই অনলাইন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হবে। বাকি যেসব রেডিও পরিষেবা এই সিদ্ধান্তের আওতায় আসছে, সেগুলো হলো— কিরগিজ, উজবেক, ইন্দোনেশীয়, তামিল ও উর্দু।
বিবিসির যেসব ভাষার পরিষেবা শুধু অনলাইনভিত্তিক হয়ে যাবে, সেগুলো হলো— চীনা, গুজরাটি, ইগবো, ইন্দোনেশীয়, পিজিন, উর্দু ও ইওরুবা।
এ ছাড়া সিবিবিসি ও বিবিসি ফোরকেও অনলাইনে যুক্ত করার কথা রয়েছে। এর ফলে বার্ষিক ৫০০ মিলিয়ন পাউন্ড (৫ হাজার ৬৩০ কোটির বেশি টাকা) পরিমাণের বিশাল সঞ্চয় করতে যাচ্ছে বিবিসি।
করপোরেশনটি বলছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সমন্বিত চাপের ফলে ‘কঠিন এই সিদ্ধান্তের দিকে যেতে হচ্ছে’।
বিবিসির কিছু ভাষার পরিষেবার কার্যালয় লন্ডন থেকে সরিয়ে সংশ্লিষ্ট শ্রোতাদের কাছাকাছি স্থানান্তর করা হবে। যেমন— থাই পরিষেবা ব্যাংককে, কোরীয় পরিষেবা সিউলে, বাংলা পরিষেবা ঢাকায় এবং ফোকাস অন আফ্রিকা টিভি বুলেটিন পরিষেবা নাইরোবিতে স্থানান্তর করা হবে।
রেডিও সম্প্রচারের পরিবর্তে আরবি ও ফারসি উভয় ভাষার নির্ধারিত টিভি সম্প্রচার অব্যাহত থাকবে। আরবি ও ফারসি ভাষার অডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল সামর্থ্য বাড়াতে বিনিয়োগ করা হবে।
এসব প্রস্তাব নিয়ে এখন প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করা হবে। সম্প্রচার ইউনিয়ন বেকটুর প্রধান ফিলিপা চাইল্ডস বলেছেন, তারা ‘এই প্রস্তাবিত পরিবর্তন দেখে হতাশ’।

তিনি আরও বলেন, আমরা স্বীকার করি পরিবর্তিত মিডিয়া ল্যান্ডস্কেপের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় বিবিসিকে মানিয়ে নিতে হবে। কিন্তু আবারও প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা সরকারের দুর্বল-মূল্যায়িত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। লাইসেন্স ফি আটকে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের ফলে তহবিল নিয়ে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ এই প্রস্তাবগুলোকে অনিবার্য করে তুলেছে।
বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস আন্তর্জাতিক মাল্টিমিডিয়া সম্প্রচারমাধ্যম। ইংরেজি ছাড়াও ৪০টির বেশি ভাষায় রেডিও, টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন করে থাকে যুক্তরাজ্।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
