নিজস্ব প্রতিবেদক।।
সামরিক শাসনামলে জারি করা পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইন ও বিচার বিভাগের উপস্থাপন করা এ আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ১৯৮৫ সালে একটি ফ্যামিলি কোর্ট অর্ডিন্যান্স হয়, সেই অর্ডিন্যান্সে পারিবারিক বিষয়Ñ দাম্পত্য কলহ, তালাক, ম্যারেজ রেস্টোরেশন, শিশুদের ভরণপোষণ এগুলো ছিল। এর আগে বিষয়গুলো ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(৮৮)তে বিবেচ্য হতো। হাইকোর্টের বিধিবিধান অনুযায়ী এটিকে (সামরিক শাসনামলের অধ্যাদেশ) আইনে পরিণত করতে হবে, তাই এ আইনের খসড়াটি নিয়ে আসা হয়েছে।
অধ্যাদেশে যা ছিল মোটামুটি সেটাই আইনে থাকছে জানিয়ে খন্দকার আনোয়ার বলেন, এখানে ৩১টি ধারা আছে। বিবাহ বিচ্ছেদ, দম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, দেনমোহর, ভরণপোষণ এবং শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান সংক্রান্ত বিষয়গুলো আদালত বিবেচনায় নেবে। একটাই মূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেটা হলোÑ আগে ছিল যে আদালতে রায় হবে, সেটার আপিল কর্তৃপক্ষ ছিলেন জেলা জজ। এখন সংশোধন এনে বলা হচ্ছে, জেলা পর্যায়ে আরও জজ আছেন, নারী-শিশু বা শ্রম আদালত।
আপিল কর্তৃপক্ষ কেবল জেলা জজ হলে তার ওপর বেশি চাপ পড়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সরকার যদি মনে করে কোনো জেলায় আপিলের জন্য অতিরিক্ত মামলা আছে, সেক্ষেত্রে জেলা জজ পর্যায়ের অন্যান্য যে জজ রয়েছেন, তাদেরও আপিল আদালত হিসেবে বিবেচনা করা যাবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পারিবারিক আদালতে মামলার ক্ষেত্রে ফির হার ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে। ১৯৮৫ সালে কোর্টে মামলা করলে ৫০ টাকা দিতে হতো। বাড়িয়ে এখন যেটা করা হয়েছে সেটাও অনেক কম। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটু অসহায় মেয়েরা এসে মামলা করে, সেটা বিবেচনা করে ফি-টা বাড়ানো হয়নি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
