পর্যবেক্ষকদের এক প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, যদি নির্বাচনকে অস্বচ্ছ করার জন্য ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট করা হয়, তাহলে তাঁরা তা সহ্য করবেন না।
আগামী নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ইভিএম তাঁদের জন্য খুবই সুবিধাজনক একটি জিনিস। ভোটের দিন, ভোটের সময় সহিংসতা হয়। ভোটকেন্দ্রে যে সহিংসতা হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু ইভিএম ব্যবহার করে নির্বাচনকেন্দ্রগুলোকে সহিংসতা থেকে কিছুটা অহিংস করে তোলা সম্ভব। কারণ, সেখানে গিয়ে কেউ ১০টি ভোট দিতে পারবে না। কেউ ৫০টি ব্যালট ছিনতাই করে ভোট দিতে পারবে না। সেখানে আগে আইডেন্টিফায়েড হতে হবে, পরে বায়োমেট্রিক মিলতে হবে।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘অনেকে বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হওয়ার কারণে সামাজিক সমস্যা হচ্ছে। আমি নিজেও দেখেছি, ওখানে (গ্রামে) নতুন একধরনের সহিংস মূল্যবোধ তৈরি হয়েছে। সেখান থেকে আমাদের উঠে আসা উচিত।’
সিইসি বলেন, নির্বাচন যদি অংশগ্রহণমূলক না হয়, তাহলে প্রকৃত অর্থে তা নির্বাচন হয় না। নির্বাচনে প্রতিযোগিতা প্রত্যাশিত। অংশগ্রহণ প্রত্যাশিত। বিরোধী দলগুলোকে সাহস নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। দৃঢ়ভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।
সরকারের উদ্দেশে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘বিশেষ করে নির্বাচনের সময় আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে সরকার হিসেবে; দলের সদস্য হিসেবে নয়।’
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
