আহত শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রব বলেন, তিনি শহরের রশিদ কলোনি এলাকায় একটি বাড়ি করেছেন। বাড়ি নির্মাণের শুরুতে স্থানীয় বাসিন্দা ফজলে এলাহী ওরফে এলমান ও সুলতান আহমদ নামের দুই ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু চাঁদা না দেওয়ায় তাঁরা কিছু নির্মাণসামগ্রী চুরি করে নিয়ে যান। ওই ঘটনায় গত ফেব্রুয়ারিতে সুধারাম থানায় মামলা করলে পুলিশ ফজলে এলাহীকে গ্রেপ্তার করে। কয়েক দিন আগে তিনি জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।
আবদুর রব অভিযোগ করেন, শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজ শেষে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় ফজলে এলাহীসহ কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেন। হামলায় গুরুতর আহত হন তিনি। তখন তাঁর ছেলের চিৎকারে মসজিদের অন্য মুসল্লিরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। উল্লিখিত হামলাকারীদের চাঁদাবাজিতে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলে জানান তিনি।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকা থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। এ ব্যাপারে তাঁদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে গিয়ে আহত শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রবকে দেখে এসেছেন। হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ধরতে পুলিশ একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় শিক্ষা কর্মকর্তাকে থানায় আরেকটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
