এইমাত্র পাওয়া

শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি দুর করতে বিশেষ উদ্যোগ

আমাদের দেশের শিক্ষা কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে গত দুই বছরে আমাদের শিক্ষার্থীদের তেমন কোনো শিখন-ঘাটতি হয়নি। কারণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নতুন শ্রেণিতে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিচ্ছে। তারা ভাবছে টেলিভিশন, অ্যাসাইনমেন্ট ও অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের শিখন কার্যক্রম সঠিকভাবে চালাতে পেরেছে। কিন্তু পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে বলতে গেলে তেমন কোনো মিথস্ক্রিয়ার সুযোগ পায়নি। এতে তার অবস্থা কেমন হয়েছে, সেটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন প্রাথমিক শিক্ষক তুলে ধরেছেন, ‘প্রাথমিকে মাঠপর্যায়ে আমরা যেভাবে পাচ্ছি, তাতে আমরা হতাশ। কীভাবে কী করব, বুঝতে পারছি না। বিশেষ করে গ্রামে পঞ্চম শ্রেণির বাচ্চারা দেখে বাংলাও পড়তে পারছে না।’

এই শিক্ষকের কথাগুলোর প্রতিধ্বনিই করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০ এপ্রিল প্রথম আলোয় ছাপা হওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষায় এ বিরতির প্রভাব সামনাসামনি যা দেখা যাচ্ছে, তার চেয়েও অনেক বেশি ও বড়। কারণ, শিক্ষাব্যবস্থায় এ প্রভাব গোচরীভূত হয় না। কোনো শিক্ষার্থী যদি তৃতীয় শ্রেণিতে ওঠার পর ১৮ মাস বিদ্যালয়ে না যায়, তার মানে কী দাঁড়ায়? শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষেত্রে এর মানে হচ্ছে সেই শিক্ষার্থী এখন চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষা শেষ করতে চলেছে। কিন্তু এ সময়ে সেই শিক্ষার্থী প্রকৃতপক্ষে কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেনি। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর স্তরকে সমন্বয় করা হলো না।’ অধ্যাপক অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সতীর্থরা এ নিয়ে একটি প্রতিবেদনও লিখেছেন, যা প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক ও ইউনিসেফ।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.