​​​​​​​চবিতে সংবিধান সংশোধন ও বিকাশ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আইন বিভাগ ও এ.কে খান ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের সংবিধান : সংশোধন ও বিকাশ বিষয়ক চতুর্থ এ.কে খান স্মারক আইন বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছে ।

বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) সকাল সকাল ১০ টায় আইন অনুষদ মিলনায়তন এটি অনুষ্ঠিত হয় ।

চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীন আখতারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমার দে এবং এ. কে খান ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি সেক্রেটারি সালাউদ্দিন কাশেম খান।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, ” ১৯৭১ সালের এই দিনটি ছিলো সেদিন যেদিন জেনারেল ভুট্টো এবং ইয়াহিয়া খান এই দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন । এরপরদিন ২৫ মার্চ তারা এইদেশের মানুষের উপর গণহত্যা চালায় । ২৬ মার্চ মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। এই দেশ স্বাধীন হয়। “

তিনি আরও বলেন,”একটি স্বাধীন দেশ সংবিধান ছাড়া চলতে পারেনা। তাই সংবিধানের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশ গণপরিষদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। এই গণপরিষদ এর উপর বাংলাদেশের সংবিধান রচনার দায়িত্ব দেয়া হয়। ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। ১২ অক্টোবর ১৯৭২ সংবিধান বিল আকারে উপস্থাপিত হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর ৪ নভেম্বর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের একটি সংবিধান রচনা করেন। ১৯২২ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই সংবিধান কার্যকর হয়। “

প্রফেসর ড. শিরীন আখতার বলেন,” দেশ সম্পর্কে জানতে হলে আগে আমাদের দেশের সংবিধান সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। সংবিধানের সংশোধনী নিয়ে আমার মতো সাধারণ মানুষের জানাশোনা কম। আমরা কিছু কিছু জানি, তবে গভীরভাবে জানিনা। আমাদের সকলেরই আইন ও সংবিধানের বিস্তৃত জ্ঞান রাখা উচিৎ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চবি রেজিস্ট্রার প্রফেসর এস. এম মনিরুল হাসান, আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর এ. বি. এম আবু নোমান , শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. সেলিনা আখতার, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. সজীব কুমার ঘোষ এবং আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. সাজেদা আক্তার সহ প্রমুখ।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.