এইমাত্র পাওয়া

গ্যাসের দাম ৩ টাকা ১১ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ

প্রতি ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম ৩ টাকা ১১ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি (মূল্যায়ন) কমিটি। অর্থাৎ প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ১২ টাকা ৪৭ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়। বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ৯ টাকা ৩৬ পয়সায়। এর আগে, গ্যাসের দাম ১৫ টাকা ৩০ পয়সা করার প্রস্তাব করেছিলো পেট্রোবাংলা।

প্রতি ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম ৩ টাকা ১১ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি (মূল্যায়ন) কমিটি। অর্থাৎ প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ১২ টাকা ৪৭ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়। বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ৯ টাকা ৩৬ পয়সায়। এর আগে, গ্যাসের দাম ১৫ টাকা ৩০ পয়সা করার প্রস্তাব করেছিলো পেট্রোবাংলা।

সোমবার (২১ মার্চ) রাজধানীর বিয়াম অডিটরিয়ামে গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোর দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানিতে এ সুপারিশ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- বিইআরসির চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, সদস্য মকবুল ই ইলাহী চৌধুরী, বজলুর রহমান, মোহাম্মদ আবু ফারুক। এছাড়া পেট্রোবাংলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কারিগরি কমিটির প্রধান দিদারুল আলম বলেন, আমরা ২০২১-২২ অর্থবছরের গ্যাস আমদানির রিয়েল ডাটা যাচাই করেছি। সে হিসাবেই সুপারিশ করেছি এই দামের।

তিনি বলেন, গ্যাসের পাইকারি ব্যয় (২০২২ সালে প্রতি ঘনমিটার) ১৫ দশমিক ৩০ টাকা পড়বে উল্লেখ করে গ্রাহক পর্যায়ে এর দাম ২০ দশমিক ৩৫ টাকা করতে পেট্রোবাংলা প্রস্তাব দিলেও মূল্যায়ন কমিটি মনে করছে, এই ব্যয় দাঁড়াবে ১২ দশমিক ৪৭ টাকা।

বর্তমানে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ৯ টাকা ৩৬ পয়সায়। সেক্ষেত্রে বিইআরসির সুপারিশ করা এই দামের (১২ দশমিক ৪৭ টাকা) সঙ্গে ভ্যাট ও অন্যান্য চার্জ যোগ হয়ে গ্রাহক পর্যায়ে দাম নির্ধারিত হবে। চারদিনের গণশুনানির পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে গ্যাসের নতুন দাম জানাবে বিইআরসি।

২০১৯ সালে সবশেষ গ্যাসের দাম বাড়ানোর আদেশে পাইকারি দাম প্রতি ঘনমিটার ১২ দশমিক ৬০ টাকা করা হয়। এর মধ্যে ভর্তুকি দিয়ে প্রতি ইউনিট ৯ দশমিক ৩৭ টাকায় বিক্রির নির্দেশ দেয় বিইআরসি। পেট্রোবাংলা বলছে, এ বছর প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় দাঁড়াবে ১৫ দশমিক ৩০ টাকা, এজন্য ভোক্তা পর্যায়ে এর দাম ২০ দশমিক ৩৫ টাকা করার প্রস্তাব তোলে রাষ্ট্রীয় এ প্রতিষ্ঠান।

সোমবার (২১ মার্চ) রাজধানীর বিয়াম অডিটরিয়ামে গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোর দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানিতে এ সুপারিশ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- বিইআরসির চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, সদস্য মকবুল ই ইলাহী চৌধুরী, বজলুর রহমান, মোহাম্মদ আবু ফারুক। এছাড়া পেট্রোবাংলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কারিগরি কমিটির প্রধান দিদারুল আলম বলেন, আমরা ২০২১-২২ অর্থবছরের গ্যাস আমদানির রিয়েল ডাটা যাচাই করেছি। সে হিসাবেই সুপারিশ করেছি এই দামের।তিনি বলেন, গ্যাসের পাইকারি ব্যয় (২০২২ সালে প্রতি ঘনমিটার) ১৫ দশমিক ৩০ টাকা পড়বে উল্লেখ করে গ্রাহক পর্যায়ে এর দাম ২০ দশমিক ৩৫ টাকা করতে পেট্রোবাংলা প্রস্তাব দিলেও মূল্যায়ন কমিটি মনে করছে, এই ব্যয় দাঁড়াবে ১২ দশমিক ৪৭ টাকা।

বর্তমানে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ৯ টাকা ৩৬ পয়সায়। সেক্ষেত্রে বিইআরসির সুপারিশ করা এই দামের (১২ দশমিক ৪৭ টাকা) সঙ্গে ভ্যাট ও অন্যান্য চার্জ যোগ হয়ে গ্রাহক পর্যায়ে দাম নির্ধারিত হবে। চারদিনের গণশুনানির পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে গ্যাসের নতুন দাম জানাবে বিইআরসি।

২০১৯ সালে সবশেষ গ্যাসের দাম বাড়ানোর আদেশে পাইকারি দাম প্রতি ঘনমিটার ১২ দশমিক ৬০ টাকা করা হয়। এর মধ্যে ভর্তুকি দিয়ে প্রতি ইউনিট ৯ দশমিক ৩৭ টাকায় বিক্রির নির্দেশ দেয় বিইআরসি। পেট্রোবাংলা বলছে, এ বছর প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় দাঁড়াবে ১৫ দশমিক ৩০ টাকা, এজন্য ভোক্তা পর্যায়ে এর দাম ২০ দশমিক ৩৫ টাকা করার প্রস্তাব তোলে রাষ্ট্রীয় এ প্রতিষ্ঠান।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.