এইমাত্র পাওয়া

শিক্ষা আইনের খসড়া পরিমার্জনের সভায় যে আলোচনা হয়েছে

আগামী একমাসের মধ্যে শিক্ষা আইনকে চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত শিক্ষা আইনের খসড়া পরিমার্জনের সভায় শিক্ষার বিদ্যমান বিভিন্ন আইন ও বিধিমালার ত্রুটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

এছাড়া অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, বিশেষ করে মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় শিক্ষা আইনের খসড়া পরিমার্জনের সভায়। সভায় এন্ট্রি পদে এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়ার শিক্ষকরাও যোগদানসহ এমপিওভুক্তিতে ঘুষ বাণিজ্যের শিকার হচ্ছেন বলেও জানান উপস্থিত কর্মকর্তারা। এসব ঘুষের হাত থেকে শিক্ষকদের রক্ষার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে সভায়।

এছাড়া নোট গাইড ব্যবসা ও কোচিংয়ের সাথে শিক্ষকদের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। তবে, নোট-গাইড বই বন্ধ এবং কোচিং ব্যবসা বন্ধ রাখার পক্ষেই মত দিয়েছেন সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এসইডিপি প্রকল্পের সভাকক্ষে সভায় উপস্থিত এই কর্মকর্তা জানান, শিক্ষা আইন পরিমার্জনের বিষয়ে পরামর্শকদের চিন্তাধারা স্টেকহোল্ডারদের জানাতে এ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। তবে, সভায় পরামর্শকরা শিক্ষা আইনের নানা ত্রুটির দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। সভায় শিক্ষক নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে শিক্ষক নিয়োগ বিধি নিয়ে আলোচনা করেন সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা। অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, বিশেষ করে মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য বিষয়টি তুলে ধরেন কর্মকর্তারা। এছাড়া এন্ট্রি পদে এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়ার শিক্ষকরাও যোগদানসহ এমপিওভুক্তিতে ঘুষ বাণিজ্যের শিকার হচ্ছেন বলেও সভাকে জানানো হয়। এসব ঘুষের হাত থেকে শিক্ষকদের রক্ষার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে সভায়।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.