নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীকে নিজের জায়গাটুকু পাকাপোক্ত করতে হলে সবার আগে তাকে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিতে হয়। তবে এসএসসি এবং এইচএসসিতে পড়াশোনা শেষে একজন শিক্ষার্থীকে যখন উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখতে হয় তখন তাকে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিয়ে একটি আসনের জন্য লড়াই করতে হয়।
সেই লড়াই বা ভর্তি পরীক্ষার জন্য একজন শিক্ষার্থীকে আবার পড়াশোনা করতে হয়। তাই একজন মানবিকের শিক্ষার্থীকে যেমন পড়তে হয় তেমনই বিজ্ঞান বা বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীকেও পড়তে হয়। সেই পড়া শুধুই ভর্তি বিষয়ক পড়া।
এ সম্পর্কে আরো বলছেন সাইয়েদা তাহমিনা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় ‘ঘ’ ইউনিটে দ্বিতীয় হয়েছেন। এখন পড়ছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে।
তিনি বলেছেন, একজন শিক্ষার্থীর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ভালো গাইডলাইন আর নিজের চেষ্টা। কারণ, ধৈর্য + পরিশ্রম + ভাগ্য=সোনার হরিণ।
এটাকে মেনে চললেই সফলতা আসতে বাধ্য। ‘Failure is the pillar of success’ এই প্রবাদের দিন শেষ। এখন ‘Smart work is the pillar of success’ এর দিন। প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে তবে সেটা স্মার্টলি।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা অনেক শিক্ষার্থী গ্রাম থেকে আসেন। তাদের অনেকেরই সুযোগ বা সামর্থ্য নেই ঢাকায় থেকে বা শহরের কোচিং করার।
তাদের বলবো অনলাইনে এখন কম টাকায় ভালো সার্ভিস পাওয়া যায়। তারা যেনো যেকোনো কোচিং বা ব্যাচের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করে। তাহলে নিজেকে যাচাই করার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার একটা প্ল্যাটফর্ম পাবে। যা একজন অ্যাডমিশন ক্যান্ডিডেটের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।
ঢাবিতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ‘খ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়েছেন সামিয়া আক্তার। তিনিও পড়ছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে।
তার কাছে ‘ভর্তি পরীক্ষায় টেক্সট বই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টেক্সট বই না পড়ে শুধু গাইড পড়লে হবে না। আগে টেক্সট বই শেষ করতে হবে। গাইড বই তো টেক্সট বইয়েরই গাইড। টেক্সট বই ছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় কখনো ভালো করা যাবে না।’
সামিয়া বলেন, পরীক্ষার আগে নিজেকে যাচাই করে নিতে হবে। বাসায় বারবার পরীক্ষা দিতে হবে, প্র্যাক্টিস করতে হবে। বারবার পরীক্ষা দিলে নিজের ভুলগুলো সহজে ধরা পড়ে। ফলে ভুলগুলো শুধরে নেয়ার সুযোগ থাকে। কনফিউশন দূর হয়।
লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হলে নিয়মিত প্র্যাক্টিস করতে হবে। প্রতিদিনই কিছু না কিছু লিখতে হবে। বিশেষ করে ইংরেজিতে অনেকেরই একটা দুর্বলতা থাকে। সেজন্য নিজের জানা বিষয় বা বইয়ের যেকোনো টপিক ধরে নিজের ভাষায় লেখার চর্চা করতে হবে। তাহলে ভর্তি পরীক্ষার লিখিত অংশে ভালো ফল করা যাবে।
সামিয়া বলেন, ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে হাইপার হওয়া যাবে না। হতাশ হওয়া যাবে না। অন্য যেকোনো ৮/১০টা পরীক্ষার মতোই মনে করতে হবে। সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা করতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা করেই ভালো ফল করা সম্ভব।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
