এইমাত্র পাওয়া

আলোচনায় নতুন পে স্কেল

নিজস্ব প্রতিনিধি।।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে পেরে উঠছে না বেশিরভাগ মানুষ। বেড়েছে পরিবহনসহ অন্যান্য সেবার খরচ। পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবও উঠেছে। এতে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়তে পারে। এর মধ্যে সামনে রমজান মাস। এ অবস্থায় সরকারি চাকুরেদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর (পে স্কেল) চিন্তা শুরু করেছে সরকার।

সর্বশেষ ২০১৫ সালে বেতন কাঠামো ঘোষণা করে সরকার। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগেই আরেকটি বেতন কাঠামো দিয়ে সরকারি চাকুরেদের ‘হাতে রাখতে’ চায় সরকার, যা টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসতে আওয়ামী লীগের জন্য সহায়ক হবে বলে মনে করছেন অনেকে। এদিকে সরকারি চাকরিজীবীরা অনেক দিন ধরেই নতুন বেতন কাঠামোর দাবি জানিয়ে আসছেন। আবার বর্তমান বেতন কাঠামোতে যেসব বৈষম্য রয়েছে, সেগুলো নিরসনেরও দাবি জানিয়ে আসছেন ২০১৬ সাল থেকেই। ২০১৯ সালের ১ এপ্রিলে এ সমস্যা সমাধানে একটি কমিটিও করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, বৈষম্য নিরসনে তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ ওই কমিটি নেয়নি। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামোতে যাতে কোনো অসমতা না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৬ মার্চের মধ্যে বেতন বৈষম্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

জানা গেছে, এর আগে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য তিনটি ‘বিশেষ ইনক্রিমেন্ট’ ও ‘নবম বেতন কমিশন’ গঠনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আবেদন করে বাংলাদেশ সচিবালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৩ অক্টোবর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নতুন বেতন কাঠামোর বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা আমাদের সময়কে বলেন, ‘আমিও শুনেছি। এ বিষয়ে কাজ চলছে।’

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর আমাদের সময়কে বলেন, ‘মহামারীতে বেশির ভাগ মানুষের আয় কমেছে; অথচ সব ধরনের জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে।’ সরকারি চাকুরেদের জন্য নতুন একটি বেতন কাঠামোর পাশাপাশি বেসরকারি খাতের মানুষের আয় যেন বাড়ে, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.