অনলাইন ডেস্ক।।
সন্মানি বাড়ানো হলো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও দপ্তরে নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের।
সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ অর্থ বিভাগে উপসচিব মোছা. নারগিস মুরশিদ স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র প্রণয়নের জন্য জনপ্রতি সম্মানি তিন হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ হাজার টাকা করা হয়েছে। বিভাগীয় নির্বাচন বা পদোন্নতি কমিটির সদস্যরা প্রতি সভার জন্য সম্মানি পেতেন তিন হাজার টাকা, যা এখন পাঁচ হাজার টাকা হলো।
মৌখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষার বোর্ডের সদস্য বা বিশেষজ্ঞদের প্রতিদিনের সম্মানিও তিন হাজার টাকা থেকে বেড়ে পাঁচ হাজার হয়েছে। প্রতিটি পূর্ণ উত্তরপত্র পরীক্ষণে সম্মানি ৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২০ টাকা এবং পূর্ণ অবজেকটিভ টাইপ উত্তরপত্র পরীক্ষণে ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছে।
পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য জনপ্রতি আপ্যায়ন ব্যয় ছিল ২০০ টাকা। এখন থেকে এক্ষেত্রে দুপুরের খাবারের জন্য দেওয়া হবে সর্বোচ্চ ৪৫০ টাকা। সকালের নাস্তার জন্য দেওয়া হবে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা।
পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মচারীদের দৈনিক সম্মানি ৯ম গ্রেড ও তদুর্ধ্বদের জন্য ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে এক হাজার টাকা, ১০ম গ্রেড থেকে ১৬তম গ্রেডে ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০০ টাকা এবং ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডে ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০০ টাকা করা হয়েছে।
এছাড়াও ভেন্যুর প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবা প্রতিষ্ঠান প্রধান মনোনীত সমন্বয়কারীর সম্মানি তিন হাজার টাকা করা হয়েছে, যা আগে ছিল না। লিখিত পরীক্ষার পরিদর্শকের একদিনের সম্মানি ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে।
এছাড়া লিখিত পরীক্ষায় প্রতি পরীক্ষার্থীর জন্য আসন বিন্যাস বাবদ ব্যয় দুই টাকা এবং উত্তরপত্র তৈরির জন্য পাঁচ টাকা দেওয়া হবে। কাগজ, কলম ও আনুষঙ্গিক বিবিধ ব্যয়ের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা ব্যয় করা যাবে। এসব খাতে আগে কোনো সুনির্দিষ্ট অংক বরাদ্দ ছিল না।
আদেশে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র প্রণয়নের জন্য কমিটির সদস্যা বা বিশেষজ্ঞরা একাধিক পদের পরীক্ষা হলেও দৈনিক একটির বেশি সম্মানি পাবেন না। একদিনে একাধিক সভা হলেও একই শর্ত প্রযোজ্য হবে। তবে একই দিনে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা হলে সর্বোচ্চ দুটি সম্মানি দেওয়া হবে। সরকারি স্কুল বা কলেজে পরীক্ষা হলে কোনো কেন্দ্র ফি দেওয়া হবে না।
মৌখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষার বোর্ডের সদস্য বা বিশেষজ্ঞদের প্রতিদিনের সম্মানিও তিন হাজার টাকা থেকে বেড়ে পাঁচ হাজার হয়েছে। প্রতিটি পূর্ণ উত্তরপত্র পরীক্ষণে সম্মানি ৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২০ টাকা এবং পূর্ণ অবজেকটিভ টাইপ উত্তরপত্র পরীক্ষণে ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছে।
পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য জনপ্রতি আপ্যায়ন ব্যয় ছিল ২০০ টাকা। এখন থেকে এক্ষেত্রে দুপুরের খাবারের জন্য দেওয়া হবে সর্বোচ্চ ৪৫০ টাকা। সকালের নাস্তার জন্য দেওয়া হবে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা।
পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মচারীদের দৈনিক সম্মানি ৯ম গ্রেড ও তদুর্ধ্বদের জন্য ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে এক হাজার টাকা, ১০ম গ্রেড থেকে ১৬তম গ্রেডে ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০০ টাকা এবং ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডে ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০০ টাকা করা হয়েছে।
এছাড়া লিখিত পরীক্ষায় প্রতি পরীক্ষার্থীর জন্য আসন বিন্যাস বাবদ ব্যয় দুই টাকা এবং উত্তরপত্র তৈরির জন্য পাঁচ টাকা দেওয়া হবে। কাগজ, কলম ও আনুষঙ্গিক বিবিধ ব্যয়ের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা ব্যয় করা যাবে। এসব খাতে আগে কোনো সুনির্দিষ্ট অংক বরাদ্দ ছিল না।
আদেশে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র প্রণয়নের জন্য কমিটির সদস্যা বা বিশেষজ্ঞরা একাধিক পদের পরীক্ষা হলেও দৈনিক একটির বেশি সম্মানি পাবেন না। একদিনে একাধিক সভা হলেও একই শর্ত প্রযোজ্য হবে। তবে একই দিনে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা হলে সর্বোচ্চ দুটি সম্মানি দেওয়া হবে। সরকারি স্কুল বা কলেজে পরীক্ষা হলে কোনো কেন্দ্র ফি দেওয়া হবে না।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
