নিজস্ব প্রতিবেদক।।
ঝালকাঠি সরকারী হরচন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফরিদ হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে স্কুলের তহবিলের ৮২ হাজার টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দিলে ৭ মাসেও রিপোর্ট প্রদান করেননি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিক।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের একটি সূত্রে জানায়, অবৈধ এ অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ পেয়ে বরিশাল আঞ্চলিক উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আনোয়ার হোসেন গত ১৪ জুন তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন প্রদানের জন্য প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেন।
তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরজু গত ১৬ আগস্ট ফরিদ হোসেনের লিখিত জবানবন্দি গ্রহণ করে আঞ্চলিক উপ-পরিচালকের কাছে পাঠান। উক্ত জবানবন্দিতে ফরিদ হোসেন উল্লেখ করেন, ‘উত্থাপিত অভিযোগ বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি ১৪ এপ্রিল ২০২১ তারিখ হোসনে আরা আরজুকে আর্থিক হিসাবসহ দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন।’
এ অবস্থায় আঞ্চলিক উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আনোয়ার হোসেন বিগত ৪ নভেম্বর ও ১৩ ডিসেম্বর পৃথক দুটি স্মারক পত্রে তদন্ত কর্মকর্তার সুস্পষ্ট মতামত নেই মর্মে উল্লেখ করেন। দায়িত্ব হস্তান্তরের পর শিক্ষক ফরিদ চেকের মাধ্যমে কোন অর্থ উত্তোলন করেছেন কিনা সে বিষয়ে সুস্পষ্ট মতামতসহ তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য নির্দেশ দেন।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হোসনে আরা আরজুকে একাধিক বার বিদ্যালয়ে গিয়েও পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তার সেল ফোনে কয়েকবার কল ও ক্ষুদে বার্তা প্রেরণ করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
