অনলাইন ডেস্ক।।
‘‘যে শিক্ষার্থীর আজ বাবা-মায়ের দায়িত্ব নেওয়ার কথা, অথচ সে বাবা-মায়ের মাথায় বোঝা হয়ে আছে। এই হতাশার কারণে গত ৩ বছরে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। আপনারা দেশের ভবিষ্যত বাঁচানোর জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন, অথচ এভাবে প্রতিনিয়ত মারা যাচ্ছেন হাজার হাজার সম্পদ।’’ এমন মন্তব্য করেছেন শাহজাদপুরে অবস্থিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের (রবিবা) শিক্ষার্থীরা।
যে শিক্ষার্থীর আজ বাবা-মায়ের দায়িত্ব নেওয়ার কথা, অথচ সে বাবা-মায়ের মাথায় বোঝা হয়ে আছে। এই হতাশার কারণে গত তিন বছরে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। আপনারা দেশের ভবিষ্যত বাঁচানোর জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন, অথচ এভাবে প্রতিনিয়ত মারা যাচ্ছেন হাজার হাজার সম্পদ। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম খোলা রাখুন। শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ তৈরি করুন। চলমান হতাশা থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে নিয়ে আসুন।
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শামীম হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আমরা অনেটাই দুঃচিন্তায় আছি। এটা আমাদের ভবিষ্যতের উপর প্রভাব ফেলবে। মাত্র দুইটা পরীক্ষা ছিল। ছুটি যদি দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয়, তবে পরবর্তী শ্রেণিতে উঠতে বেশ সময় লেগে যাবে, যা আমাদের জন্য কষ্টকর।
আমার আশেপাশের কিছু সহপাঠী ইতোমধ্যে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। চলমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে হয়তো আমরা অনেক সহপাঠী হারাবো। যেহেতু প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার্থীদের টিকা নিশ্চিত করেছে এবং শিক্ষার্থীরা সচেতনতা অবলম্বন করে ক্লাসে ফিরতে চান, তাই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখাটা অযৌক্তিক।
অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আম্মায় আছিফুন মিম বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিস্তার রোধে বারবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে অনিশ্চিয়তার সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিলে শিক্ষার্থীরা একটু আলোর দিশা দেখতে পায়। কিন্তু পরক্ষণেই বন্ধের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের আবারও হতাশার মধ্যে ফেলেছে। চলমান পরীক্ষা শেষ না হওয়াতে নানা হতাশা এবং চাপের মধ্যে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।
একই ক্লাসে পরপর দু-তিন বছর কাটানোয় বিভিন্ন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়া ক্লাস, পরীক্ষা বারবার বন্ধ হওয়ায় আমরা শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং যেখানে সব শিক্ষার্থী টীকার আওতায় আনা হয়েছে, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের মতো সিদ্ধান্তকে নেতিবাচকই দেখছি। আমরা শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা শেষ করে আমাদের ক্লাসরুমে ফিরে নতুন একটা শিক্ষাবর্ষ শুরু করতে চাই।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
