এইমাত্র পাওয়া

অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতির আলোচনায় যারা

অনলাইন ডেস্ক।।

পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) থেকে অতিরিক্ত আইজিপি, গ্রেড-২ পদে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিতে যাচ্ছে সরকার। এই তালিকায় অনেকের নাম আলোচনায় রয়েছে। আর পদোন্নতির জন্য ১২ ও ১৫ তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের বিবেচনা করা হচ্ছে।

এর আগে গেল বছরের ১৭ মে চারজন ডিআইজিকে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য বলছে, বর্তমানে অতিরিক্ত আইজিপি পদে আটটি শূন্য পদ রয়েছে। তাদের পদায়নে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তাদের তালিকা চূড়ান্ত করবে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড বা এসএসবি।

সম্প্রতি এসএসবির বৈঠকে অতিরিক্ত আইজিপি, গ্রেড-২ পদে পদোন্নতির বিষয়টি আলোচনা হয়। গুরুত্বপূর্ণ এই পদে কারা পদোন্নতি পাচ্ছেন- তা নিয়ে পুলিশ বিভাগে চলছে নানান গুঞ্জন। এই তালিকায় আলোচনায় আছেন পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পদোন্নতির জন্য ১২ ও ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের বিবেচনা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের প্রধান ডিআইজি ড. হাসান উল হায়দার, ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান ডিআইজি মোর্শেদুল আনোয়ার খান, ডিআইজি গোলাম কিবরিয়া এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ডিআইজি আবু হাসান মুহম্মদ তারিক।

এছাড়া ১৫তম ব্যাচের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন- অতিরিক্ত আইজির চলতি দায়িত্বে থাকা বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, শিল্প পুলিশের প্রধান ডিআইজি মাহবুবুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, ডিআইজি ওয়াই এম বেলালুর রহমান, ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ, ডিআইজি এ এফ এম মাসুম রব্বানী এবং ডিআইজি মোহাম্মদ আলী মিয়া।

যেভাবে নতুন পদ সৃষ্টিঃ

পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সাংগঠনিক কাঠামোর অভ্যন্তরীণ সংস্কারের মাধ্যমে ১৭৮টি পদের বিপরীতে পাঁচটি শর্তসাপেক্ষে বেতন গ্রেড নির্ধারণ করা হয়। ২৯ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রণালয় এই সম্মতি দেয়। পরবর্তীতে ওই বছরের ১ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে পদগুলো মঞ্জুর করে। এর আগে মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নেতৃত্ব সুদৃঢ় করতে পুলিশের কাঠামোতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায় পুলিশ। সেখানে অভ্যন্তরীণ সংস্কারের মাধ্যমে পুলিশের বিদ্যমান জনবল কাঠামোতে পরিবর্তন এনে নিম্নপর্যায়ের ক্যাডার পদের সংখ্যা কমিয়ে তার পরিবর্তে বাড়তি উচ্চপদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়।

সেখানে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সাংগঠনিক কাঠামোর অভ্যন্তরীণ সংস্কারের মাধ্যমে ২০টি এসপি ও ১৫৮টি এএসপি এবং ৪৮টি অ্যাডিশনাল এসপিসহ সর্বমোট ১৭৮টি পদ বিলুপ্ত করে চারটি অ্যাডিশনাল আইজি, ১৮টি ডিআইজি, ৮৮টি অ্যাডিশনাল ডিআইজি, ২০টি এসপি এবং ৪৮টি অ্যাডিশনাল এসপিসহ মোট ১৭৮টি ক্যাডার পদের প্রস্তাবনা করা হয়।

অতিরিক্ত আইজিপি হতে যেসব শর্তঃ

পুলিশের ১৭৮টি নতুন পদের গ্রেড ও বেতন নির্ধারণ করে অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্মতির পর সেসময় গ্রেডসহ বেশকিছু নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়। এতে অতিরিক্ত আইজিপির চারটি পদ ২য় গ্রেডে। তবে শর্তে বলা হয়, ডিআইজি পদে তিন বছরের এবং নবম গ্রেড বা তার ওপরের গ্রেডে ১৭ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এই পদে বেতন স্কেল সর্বনিম্ন ৬৬ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৭৬ হাজার ৪৯০ টাকা।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.