নিউজ ডেস্ক।।
হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেছেন, করোনা সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার এবং দুই পক্ষকেই সতর্ক হতে হবে। মাস্ক পরার বিষয়টিকে নৈমিত্তিক প্রশাসনিক কাজের অংশ করে নিতে হবে। যে কোনো ভ্যারিয়েন্টে সুরক্ষিত থাকতে মাস্ক ০৪পরার বিকল্প নেই। গতকাল তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মাস্ক পরাকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। করোনা নিয়ন্ত্রণে পাড়া-মহল্লায় স্বেচ্ছাসেবী টিম গড়ে তুলতে হবে।
তারা এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মানা, টিকা নেওয়া, মাস্ক পরাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সচেতন করবে। মাস্ক ছাড়া ওই এলাকায় প্রবেশ করলে এলাকাবাসী বাধা দেবে। টিকা নেওয়া ব্যক্তির সংখ্যা আগের তুলনায় বেড়েছে। কিন্তু এখনো দুই ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তির সংখ্যা ৩৬ শতাংশের ওপরে যায়নি। টিকা দিতে হবে ৮০ শতাংশ মানুষকে। টিকার সরবরাহ রয়েছে। আগামী এক সপ্তাহে টিকা কর্মসূচি করে দিনে ৫০ লাখ মানুষকে টিকা দিলে বড় একটা অংশ টিকার আওতায় আসবে। যার স্বাস্থ্য তাকেই রক্ষা করতে হবে।
এভাবে সচেতন করে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। অফিসে, গণপরিবহনে মাস্ক পরতে হবে। সবাই মাস্ক পরলে করোনা সংক্রমণের চিত্র বদলে যেত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
