এইমাত্র পাওয়া

করোনার যতো ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়েছে

অনলাইন ডেস্ক।।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আবির্ভাব ঘটে। এরপর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। এতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ২৮ কোটির বেশি মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৫৪ লাখের বেশি। করোনা আবির্ভাবের পর এর ভ্যারিয়েন্টও ধরা পড়েছে অনেক। করোনার পর যেসব ধরন এসেছে সেগুলো হলো, আলফা, বেটা, গামা, ডেল্টা, ওমিক্রন, ডেলমিক্রন ও ফ্লোরোনা।   

আলফা:

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যে আলফা ধরনের আবির্ভাব ঘটে। এই ভ্যারিয়েন্টকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ২০২০ সালের ১৮ ডিসেম্বর।  তবে এই ধরন ততটা বিপজ্জনক নয় বলে জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  ।

বেটা:

দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০২০ সালের মে তে বেটা ধরনের রোগী শনাক্ত হয়। এই ধরনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ১৮ ডিসেম্বর ২০২০।

গামা:

২০২০ সালের মে মাসে ব্রাজিলে নতুন ধরন শনাক্ত হয়। এই ধরনের নামকরণ করা হয় গামা। একে স্বীকৃত দেওয়া হয় ২০২১ সালের জানুয়ারিতে।

ডেল্টা:

 গামার পর ভারতে আসে কোভিড-১৯ এর নতুন ধরন ডেল্টা। ২০২০ সালের অক্টোবরে দেশটিতে সর্বপ্রথম এই ধরনের রোগী শনাক্ত হয়। এই ধরনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ৪ এপ্রিল ২০২১ সালে।

ওমিক্রন:

এরপর বিশ্বব্যাপী যে ধরন তাণ্ডব চালাচ্ছে তা হলো ওমিক্রন। এই ভাইরাস ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ২০২১ সালের নভেম্বরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ধরনে রোগী শনাক্ত হয়। এই ভাইরাস অন্যান্য যেকোনো ধরনের থেকে বেশি সংক্রমক বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। এই ধরনের কারণে এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৭ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। নতুন করে লকডাউন দেওয়া হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এতে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আরও বিপর্যস্ত হতে পারে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে।

ফ্লোরোনা:

এদিকে ওমিক্রন ধরনের তাণ্ডব শুরুর মধ্যে কোভিড-১৯ এর নতুন ধরন আবির্ভাব হয়েছে। শুক্রবার ইসরায়েলে এক গর্ভবতী নারী বাচ্চা জন্ম দিতে হাসপাতালে ভর্তি হলে নতুন এই ধরন শনাক্ত হয়। তবে এই ধরন কতটা বিপজ্জনক, তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তথ্যসূত্র ডব্লিউএইচও,


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.