নিজস্ব প্রতিবেদক।।
নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। রাজধানীর রামপুরায় হাতিরঝিলের পাশে ফুটপাথে ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবক-শ্রমিকদের মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ১১ দফা দাবি জানান সরকারের কাছে।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ১১ দফা দাবি বাস্তবায়ন না করলে নতুন বছরে আবার নতুন করে আন্দোলনে নামব। এ ছাড়া এরই মধ্যে ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য জনমত যাচাই করা হবে। অভিভাবকদের কাছে যাব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বাক্ষর গ্রহণ করব। শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে অংশ নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, এই শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে আমি একাত্মতা প্রকাশ করছি।
শিক্ষার্থীদের এই ১১ দফা দাবি শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, ১৬ কোটি মানুষের দাবি। প্রতিদিন যেভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষ নিহত হচ্ছে তাতে কেউ দাবি করতে পারবে না যে, আমি রাস্তায় বের হয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারব। এই দুর্ঘটনা কেন হয়, আমরা সবাই জানি, সরকারও জানে। ২০১৮ সালের শিক্ষার্থীদের ঐতিহাসিক আন্দোলনের সময় সরকার কিছু নির্দেশনা দিয়েছিল। শুধু চালক ও হেলপারের কারণে এই দুর্ঘটনা হয় না, এখানে অনেক কারণ আছে। সে কারণ হচ্ছে সড়ক ব্যবস্থাপনায় ভয়ংকর অনিয়ম ও দুর্নীতি। তিনি বলেন, বাসের চালক ও হেলপারদের নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নাই। তাদের কোনো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নাই।
নানা সমস্যায় জর্জরিত বাসে ফিটনেস নাই, চালকের লাইসেন্স নাই। এ কারণে যখন বাসগুলো সড়কে চলে, তখন মনে হয় মৃত্যুর দূত চলছে। যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের ঐতিহাসিক আন্দোলনে অনেক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো বাস্তবায়ন হয়নি। এসব বাস্তবায়ন না হওয়ায় সড়কে হত্যা ও নৈরাজ্য বন্ধ হচ্ছে না।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
