রাষ্ট্রধর্ম ও ৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া নিয়ে বক্তব্য দিয়ে প্রথম আলোচনায় এসেছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। এরপর বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তিনি। সর্বশেষ একটি অডিও ফাঁসের ঘটনা ডা. মুরাদকে বিপাকে ফেলে দিয়েছে। নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পর তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ‘আর মাহি, ওই মুহূর্তে কী বা করার থাকে কী বা বলার থাকে বলুন, আল্লাহ ছাড় দেন ছেড়ে দেন না। আমি একজন শিল্পী।’
ইমন বলেন, এত বড় একজন মন্ত্রী যখন আমাকে কল দেন আমি তো তাকে ইগনোর করতে পারি না। সবাই তো অডিও ক্লিপটি শুনেছেন। সেখানে মানুষের গলার স্বর শুনলেও তো বোঝা যায় কে কোন অনুভূতি নিয়ে কথা বলছেন।
এদিকে অডিও ফাঁসের তীব্র সমালোচনার মধ্যে সোমবার রাত সাড়ে ৮টার পর সৌদি আরবের মক্কা থেকে ফেসবুক লাইভে আসেন মাহি।
অডিও ফাঁসের পর চারদিকে সমালোচনা শুরু হলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান চট্টগ্রামের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। সেতু মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বিষয়ে আলাপ করলে সোমবার রাতে জানান,আগামীকাল (মঙ্গলবার) এর মধ্যে ডাঃ মুরাদ হাসানকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। তাকে দলীয় পদ থেকেও বহিষ্কারের কথা শোনা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি তথ্য প্রতিমন্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমান ও নাতনী জাইমা রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বিভিন্ন মন্তব্য করেন যা প্রকাশ করার মতো নয়। তাছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের নেতৃত্ব ও বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েও অশালীন কথাবার্তার জেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী নেতৃত্ব ডাঃ মুরাদের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানায়। প্রতিবাদ মিছিলে তারা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের কারনে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের বিষয় প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
