আমিরাতের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তদন্ত না করায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। এই অভিযোগের কারণে রাইসির প্রার্থিতার বিরোধীতাও করে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তবে রাইসি তার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাইসির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, পুলিশের বিরুদ্ধের আনা নিপীড়ন ও নির্যাতনগুলো অসহনীয় এবং ঘৃণ্য ছিল বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
এতে অভিযোগ করা হয়, ২০১৭ সালে আমিরাতের একজন প্রসিদ্ধ ভিন্নমতাবলম্বী নেতা আহমেদ মনসুরকে আটক করে যে নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তার পেছনে আহমেদ নাসের আল-রাইসির হাত রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশের সম্মানহানির অভিযোগে আহমেদ মনসুরকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তখন।
চলতি মাসে জার্মানির সংসদের তিনজন সদস্য এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, জেনারেল আল-রাইসিকে নিয়োগ করা হলে ইন্টারপোলের সুনাম বিনষ্ট হবে। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাত এই আশঙ্কা নাকচ করে বলেছে, ইউএই ‘বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশগুলোর একটি’এবং সে জন্য তারা গর্বিত।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
