এইমাত্র পাওয়া

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন ঝড়

নিউজ ডেস্ক।।

দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে যাচ্ছে একটি ঝড়। ইতোমধ্যে এটি অবস্থান করছে লঘুচাপ আকারে। ধীরে ধীরে এই লঘুচাপটি শক্তি সঞ্চয় করে নিম্নচাপ থেকে ঝড়ে রূপ নিতে পারে। তবে আবহাওয়াবিদরা স্পষ্ট করে এখনো কিছু বলতে পারছেন না যে, বর্তমান লঘুচাপটি ঝড় হলে তা কত শক্তিশালী হবে এবং কোন উপকূল থেকে স্থলভাগে উঠবে আবহাওয়াবিদরা তা এখনো স্পষ্ট করে জানাতে পারেননি। লঘুচাপ থেকে শেষ পর্যন্ত ঝড়ে রূপান্তর হলে এর নামকরণ হতে পারে ‘জাওয়াদ’।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিস গতকাল মঙ্গলবার সকালে জানিয়েছিল ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হবে; কিন্তু গতকাল বিকেলেই লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। লঘুচাপের প্রভাবে সারা দেশের তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। শীতের মাত্রাটা কিছুটা কমে গেছে।

এ ব্যাপারে কানাডার সাসকোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন, যে লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে তা শেষ পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তর হতে পারে। তিনি জানান, ১৯৭০ সালের ভয়াল ভোলা ঝড় এই নভেম্বরের ১২ তারিখ উপকূলে আঘাত হানে। ১৯৭০ সালের ওই ঝড়টি ৮ নভেম্বর সৃষ্টি হয়েছিল। এবারো গতকাল ৯ নভেম্বর একটি লঘুচাপের মাধ্যমে এর সূচনা হলো। কারণ ওই ঝড়ের পূর্বাভাস ভোলার মানুষ সময় মতো পায়নি, যে কারণে অনেক মানুষ মারা যায়।

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, বর্তমান লঘুচাপটি ১৪ ও ১৫ নভেম্বর আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে ঝড়ে পরিণত হতে পারে। এটা সামনে অগ্রসর হয়ে ১৮ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যে উপকূলে উঠে যেতে পারে। আমেরিকান আবহাওয়া পূর্বাভাসের মডেল বলছে, ঝড়টি কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম উপকূলের মাঝামাঝি দিয়ে স্থলভাগে উঠে যেতে পারে।

সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৫৩ কিলোমিটার। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আবহাওয়ার মডেল পূর্বাভাসে ঝড়ের ব্যাপারে তথ্য দিলেও তারা বলছে, ঝড়টি ভারতের পূর্ব উপকূল দিয়ে স্থলভাগে উঠে যেতে পারে। তবে আগামী তিন দিন পর স্পষ্ট করে বলা যাবে সম্ভাব্য ঝড়টি কোন উপকূল দিয়ে স্থলভাগে উঠে আসবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.