নিউজ ডেস্ক।।
দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনতো ফেরদৌস। ভারতের গত লোকসভা নির্বাচনে একজন বাংলাদেশি হয়েও তৃণমূলের এক নেতার জন্য প্রচারণায় অংশ নেন তিনি। যে কারণে তাকে কালো তালিকাভুক্ত করে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এরপরই ভারত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয় ফেরদৌসের। অবশেষে আড়াই বছরেরও বেশি সময় পর ভারতে যাওয়ার অনুমতি পেলেন এই নায়ক।
এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফেরদৌস জানিয়েছেন- একটা ভুল বোঝাবুঝির কারণে আড়াই বছরের বেশি সময় ভারতে ঢুকতে পারিনি। নিষেধাজ্ঞা শেষে ভারতের ভিসা পেয়ে ভীষণ আনন্দিত। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই দুই দেশে একসঙ্গে কাজ করেছি। সব সময় বলতাম- কলকাতা আমার সেকেন্ড হোম।’
বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে ভারতের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়াটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল বলে মনে করছেন ফেরদৌস। ভুল স্বীকার করে এই অভিনেতা বলেন, ‘অবশ্যই এটা আমার ভুল।আমি তো জানতাম না যে এমন কাজ করা যাবে না।আমাকে যারা নির্বাচনী প্রচারণায় নিয়ে গেছেন, তারাও জানতেন না আমি সেখানে যেতে পারব না। এটা অবশ্যই ভুল। জীবনে একটা উচিত শিক্ষা হয়েছে।’
ভারত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ফেরদৌস বলেন, ‘আমার রানিং কয়েকটা চলচ্চিত্র ছিল। নতুন আরও কয়েকটি চলচ্চিত্র নিয়ে কথা হচ্ছিল, সেগুলো থেকে সরে আসতে হয়েছে। সবচেয়ে বড় ক্ষতি ‘বঙ্গবন্ধু’র মতো একটি সিনেমা, যেটা বাংলাদেশের একটা ইতিহাস রচনা করবে, সেই ইতিহাসের সাক্ষী হতে পারলাম না। এটা তো অনেক বড় একটা না পাওয়ার কষ্ট।এ কষ্ট আজীবন থেকে যাবে।’
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
