বড় রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই আত্মাহুতি দিলেন ওপেনার লিটন দাস। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই মুজিবের বলে তেড়ে মারতে যান লিটন। এতে মিসম্যাচ হয়ে তারাকাইয়ের তালুবন্দী হন লিটন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১.২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ রান। ক্রিজে আছেন সাকিব ও মুশফিক।
ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান তুলেছে আফগানিস্তান। শেরে বাংলায় সাকিব-তাইজুলদের তুলোধুনা করে ঝড় তুলেছে মোহাম্মদ নবী। ৫৪ বলে ৭ ছক্কা ও ৩ চারে নবী তুলেছেন ৮৪ রান। জিততে হলে সাকিব-মুশফিকদের তুলতে হবে ১৬৫ রান।
টস হেরে ইনিংসের প্রথম বলেই আফগান ওপেনারকে ফিরিয়ে দিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। এরপর দলীয় ১০ রানে আফগান বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান জাজাইকে সাজঘরে পাঠালেন দলনেতা সাকিব। আগের বলে ছক্কা খেয়ে পরের বলেই তারাকাইকে ফিরিয়ে প্রতিশোধ নিলেন সাইফউদ্দিন। আবারো উড়িয়ে মারতে গিয়ে তালুবন্দী হন সাব্বিরের। ১৩ বলে ১১ রান করে সাজঘরে ফিরলেন তারাকাই।
এরপর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিল আফগানরা। ২১ রানের জুটি গড়েছিলেন আসগর আফগান এবং নাজিবুল্লাহ জাদরান। দলীয় ৪০ রানের মাথায় সাকিব ফিরিয়ে দেন নাজিবুল্লাহ জাদরানকে। আগের ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে বিধ্বস্ত করেছিলেন জাদরান। এরপর ৭৯ রানের বড় জুটি গড়েন আসগর আফগান এবং মোহাম্মদ নবী। দলীয় ১১৯ রানে আসগরকে ফিরিয়ে বড় জুটি ভাঙলেন সাইফউদ্দিন। ৩৬ বলে ৪০ রান তুলেছেন আসগর। স্কোরকার্ডে ৩ রান যোগ হতেই আফগান শিবিরে আবারো শিকার করলেন সাইফউদ্দিন। এবার আউট করলেন নতুন ব্যাটসম্যান গুলবাদিনকে।
১৮তম ওভারে সৌম্যকে ছক্কা হাঁকিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন মোহাম্মদ নবী। সেই ওভারে আরও একটি ছক্কার সাথে দুটি বাউন্ডারি হাঁকান নবী। সৌম্যর ঐ ওভার থেকে আফগানরা তুলে নেয় ২২ রান। নবী শেষ অবধি ব্যাট চালিয়ে অপরাজিত থাকেন ৮৪ রানে। তার ৫৪ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি ছক্কা আর ৩টি চারের মার। করিম জানাত ৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
আফগানদের পতন হওয়া উইকেটের চারটি নিয়েছেন সাইফুদ্দিন। আগের ম্যাচে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে বোলিং করা সাকিব আল হাসান আজ দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন। চার ওভারে মেডেনসহ ১৮ রান দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তাইজুল ইসলাম ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে নেন চারটি উইকেট। সৌম্য ২ ওভারে ৩১, মোসাদ্দেক ১ ওভারে ১২ এবং মাহমুদউল্লাহ ১ ওভারে ৩ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ২৫ রান খরচায় কোনো উইকেট পাননি।
ক্রিকেটের তিন সংস্করণের মধ্যে টাইগারদের সবচেয়ে খারাপ রেকর্ড টি-টোয়েন্টিতে। এ ফরম্যাটে আইসিসি র্যাংকিংয়ে টাইগারদের অবস্থান ১০ নম্বরে। সেখানে আফগানিস্তান এ ফরম্যাটে অনেকটা এগিয়ে। র্যাংকিংয়ের ৭-এ অবস্থান তাদের।
বাংলাদেশ একাদশ:
লিটন দাস, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন, তাইজুল ইসলাম এবং মোস্তাফিজুর রহমান।
আফগানিস্তান একাদশ:
হজরতউল্লাহ জাজাই, রহমানুল্লাহ গুরবাজ, নাজিব তারাকাই, আসগর আফগান, মোহাম্মদ নবী, নাজিবুল্লাহ জাদরান, গুলবাদিন নাইব, রশিদ খান, করিম জানাত, ফরিদ আহমেদ এবং মুজিব উর রহমান।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
