নিউজ ডেস্ক।।
আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে তাই একাধিক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। শুরুতে ব্যাট করতে এসে বাংলাদেশের সামনে বড় পুঁজি দাঁড় করাতে সক্ষম হয় নিউজিল্যান্ড। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে তা ধারে কাছেও যেতে পারেনি স্বাগতিকরা। একমাত্র আফিফ হোসেন ধ্রুব একক লড়াইয়ে কোনো মতে ব্যবধান কমিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৩-২ এ শেষ করে বাংলাদেশ।
আজ শুক্রবার মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ১৬১ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। জবাবে নির্ধারিত ওভারে ১৩৪ রান তোলে স্বাগতিকরা। ২৭ রানের জয় নিয়ে সিরিজ শেষ করে কিউইরা। ব্যাট হাতে ৪৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন আফিফ।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে এসে শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। মাত্র ২৬ রানের মাথায় নিজের উইকেট বিলিয়ে দেন ওপেনার লিটন দাস। ১২ বলে ১০ করে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। দলীয় ৩৬ রানের মাথায় ফেরান সৌম্য সরকার (৪)। খানিক সময়ের ব্যবধানে ২৩ রান করে ফেরেন আরেক ওপেনার নাঈম শেখ।
নবম ওভারের পঞ্চম বলে ৩ রান করে রাচীন রবিন্দ্রের শিকার হন মুশফিকুর রহিম। চার উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ার পর শক্ত হাতে দলকে টেনে তোলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। এই যুগলের জুটিতে ৬৩ রানের জুটি ভাঙেন স্কট কুগেলেইন। ১৬তম ওভারের শেষ বলে ডিপ কাভার অঞ্চলে অ্যালেনের তালুবন্দি হন ২৩ রান করা রিয়াদ।
মাহমুদউল্লাহ ফেরার পরের ওভারেই বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে আসা নুরুল হাসান সোহানকে এলবিডব্লিউতে ফেরান অ্যাজাজ প্যাটেল। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের উপর আপিল করেও রক্ষা মিলেনি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের। মাত্র ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ১৮তম ওভারের শেষ বলে আটে নামা শামীম পাটোয়ারিকে ফেরান জ্যাকব ডাফি। স্লোয়ার বল আসার আগেই ব্যাট চালিয়ে দেন তিনি। বল তখন সরাসরি স্ট্যাম্পে আঘাত হানলে ২ রান করতে ফিরতে হয় তাকে।
এক পাশে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। অন্যপাশ আগলে রাখেন আফিফ হোসেন। তাতেই ম্যাচের আমূল কোনো পরিবর্তন আসেনি। তার অপরাজিত ৪৯ রানে ভর করে নির্ধারিত ওভারে ১৩৪ তোলে বাংলাদেশ। ২৭ রানের জয় পায় সফরকারীরা।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
