এইমাত্র পাওয়া

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চামচামির দরকার নেইঃসেতুমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক।।

“সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চামচা গিরির দরকার নেই”-বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি তার সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি এ সভায় যুক্ত হন। 

তিনি বলেন, আজ ভয় হয় যখন দেখি সচিবালয়ের চারদিকে বিলবোর্ড, পোস্টারে আকাশ ঢেকে যায়। কারণ অনেকে ১৫ আগস্টের আগেও দলে ফুল ও মিছিল নিয়ে এসেছে।  চোখের পলকে ১৫ আগস্ট ঘটে গেল।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৫ আগস্টের আগে নব্য আওয়ামী লীগারদের অনেকেই মুজিব কোট পরতো, কিন্তু ১৫ আগস্টের পর তাদের অনেকেই মুজিব কোট লুকানোর চেষ্টায় ছিল।

বঙ্গবন্ধুর মায়ের মৃত্যুর পর বঙ্গবন্ধুর খুনি মোশতাকের চোখে জল দেখেছি। কান্না দেখেছি, অঝোরে।  এই খন্দকার মোশতাক, খুনি মোশতাক, পলাশীর মীর জাফরের প্রেতাত্মা মোশতাক। সেই চোখের জলে ভালোবাসা ছিল না, শ্রদ্ধা ছিল না।  কাছের মানুষ সাজার ছল ছিল।  সেই চোখের জল অতি আপনজন সাজার ছল।  এরকম বঙ্গবন্ধু প্রেমিক, মুজিব প্রেমিক আমাদের দরকার নেই।  তাই অতি আপনজন সাজার কোনো প্রয়োজন নেই। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, সচিবালয়ে যারা কাজ করেন, শেখ হাসিনার সরকার আপনাদের কাছে সততা চায়, স্বচ্ছতা চায়, নিরপেক্ষতা চায়। পক্ষ নিয়ে এখানে তোয়াজ-তোষণ করবেন, এটা আমরা চাই না। এ তোয়াজ-তোষণের ফল ভালো নয়। পরিণতি শুভ নয়।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কর্মকর্তাদের সঙ্গে, প্রশাসনের সঙ্গে ক্ষমতাসীন রাজনীতিকদের একটি সেতুবন্ধন থাকতেই হবে। আইন প্রণেতারা আইন প্রণয়ন করবেন, আর পলিসি নির্ধারণ করবেন রাজনীতিকরা। সেটা বাস্তবায়ন করবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সেখানে বিরোধপূর্ণ কোনো পরিবেশ প্রত্যাশিত নয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সংঘাতের কোনো অবস্থা, সংঘাত-সংকুল অবস্থা মোটেই কাম্য নয়।  যার যার অবস্থানে তার তার দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, সত্য কথা বলুন, নিরপেক্ষভাবে ও সচ্ছতার সঙ্গে কাজ করুন। চামচাগিরি করা, তোয়াজ-তোষণ করার কোনো প্রয়োজন নেই।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, যারা শেখ মুজিবকে ইতিহাস থেকে মুছে দিতে দিয়েছিলো, তারাই আজ মুছে যাচ্ছে ইতিহাসের পাতা থেকে। এটা হলো ইতিহাসের অমোঘ সত্য। তাদের ঠাঁই হচ্ছে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে।
সরকারের উন্নয়ন বিএনপি দেখে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারা দিনের আলোতে রাতের অন্ধকার দেখে। তারা পূর্ণিমার ঝলমলে আলোতে অমাবশ্যার অন্ধকার দেখে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.