এইমাত্র পাওয়া

দোকানপাট-শপিংমল খুলছে রোববার

নিউজ ডেস্ক।।

চলমান লকডাউনের মধ্যেই আগামী রোববার থেকে দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। গতকাল শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাপকসংখ্যক মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয় বিবেচনা করে নতুন এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাজার/সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে তা কতটা মানা হবে তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বিধিনিষেধের মধ্যে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্ত দেওয়া হলেও আগে তা যথাযথভাবে মানা হয়নি। এ অবস্থায় বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি সামান্য উপেক্ষিত হলে তার ফল ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ দিকে শপিংমল খোলার বিষয়ে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে মুভমেন্ট পাসের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে লকডাউনের সময় মুভমেন্ট পাস নিয়েই মার্কেটে যেতে হবে বলে পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। লকডাউন চলাকালে যারা ঘরের বাইরে বের হবেন, তাদের সবার মুভমেন্ট পাসের প্রয়োজন হবে। এখন পর্যন্ত শপিং ও কেনাকাটার জন্য যারা বের হবেন তাদের বিষয়েও একই নির্দেশনা রয়েছে।

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটির (সিসিএস) নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ বলেন, জরুরি প্রয়োজনে মুভমেন্ট পাস দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মার্কেটে মানুষ মূলত জামাকাপড়, জুতা, অন্যান্য জিনিসপত্র কেনাকাটা করেন। অনেক ক্ষেত্রেই সেটা জরুরি নয়। সে ক্ষেত্রে মুভমেন্ট পাস কিসের ভিত্তিতে দেওয়া হবে। তা হলে কি এখন ঈদের কেনাকাটার জন্য করোনার ঝুঁকি নিয়েও মুভমেন্ট পাস দেওয়া হবে সবাইকে? যদি না দেওয়া হয়, তা হলে মার্কেটে ক্রেতারা কিভাবে যাবেন। ক্রেতারা যদি মার্কেটে যেতে নাই পারেন, তা হলে মার্কেট খুলে কী লাভ হলো। বিষয়গুলো পরিষ্কার নয়।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.