এইমাত্র পাওয়া

এমপিওভুক্তিতে সাতটি শর্ত

নিউজ ডেস্ক।।

নতুন করে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে সাতটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এমপিওর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন শর্ত মেনে আবেদন করতে হবে। জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে এর অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় সেই নীতিমালায় সাতটি শর্ত জুড়ে দেয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া শর্তসমূহ-

মানসম্মত ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে এবং সরকারের বাজেট বরাদ্দের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে সব শিক্ষক-কর্মচারী একসঙ্গে নিয়োগ না করে নতুন নীতিমালা অনুযায়ী (প্রস্তাবিত) পর্যায়ক্রমে নিয়োগ করতে হবে।

সিটি করপোরেশন, জেলা সদর এবং পৌরসভায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শিক্ষকের পদবহির্ভূত অতিরিক্ত কর্মচারীর পদ (যেমন- অফিস সহায়ক, নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নৈশপ্রহরী এবং আয়া) নতুনভাবে সৃষ্টি না করে নতুন নিয়োগের প্রয়োজন হলে নিজস্ব অর্থায়নে নিয়োগের বিধান রাখতে হবে।

তবে মফস্বল এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আয় কম থাকায় প্রস্তাবিত নীতিমালায় শুধু এসব এলাকার ক্ষেত্রে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ষষ্ঠ-অষ্টম), মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ষষ্ঠ-দশম) এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে (ষষ্ঠ-দ্বাদশ) ‘অফিস সহায়কের’ একটি করে নতুন পদ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

‘জনস্বার্থে গুরুত্ব বিবেচনায় এমপিওভুক্তির শর্তপূরণ সাপেক্ষে সরকার কোনো প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির আদেশ দিতে পারবেন’- এই বিধানের পরিবর্তে এমপিও নীতিমালা ও বাজেট বরাদ্দের আলোকে শর্তপূরণ সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের জন্য গঠিত কমিটির যাচাই-বাছাইপূর্বক সুপারিশের ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত করার বিধান রাখতে হবে।

নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য অন্যান্য শর্তাবলির সঙ্গে হালনাগাদ স্বীকৃতির/অধিভুক্তির শর্ত বহাল রাখতে হবে। উচ্চতর পর্যায়ে নারী শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে শুধু নারীদের জন্য পরিচালিত উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ/স্নাতক (পাস) কলেজের জন্য কাম্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা আগের মতো আনুপাতিক হারে কম রাখতে হবে। বর্তমানে ৭৫ হাজার জনসংখ্যার জন্য একটি করে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাপ্যতা রয়েছে। নতুন শর্তে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এই জনসংখ্যা ৬৫ হাজারে সীমিত করতে এবং চারটি বিষয়ে (বাংলা, ইংরেজি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ঐচ্ছিক) প্রস্তাবিত তৃতীয় শিক্ষকের পদ সৃজন না করতে বলা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন অর্থবছরের বাজেটের আগেই এ নীতিমালা জারি করা হবে। কারণ এবার বাজেটে যে অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, সেই টাকা যেন ফেরত না যায় সেজন্য জুন-জুলাইয়ের আগে নতুন আবেদন নেওয়ার কাজটি শেষ করতে চায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভেটিং (চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পূর্বের পরীক্ষা-নিরীক্ষা) পাওয়া গেছে। এখন এটি দ্রুত সময়ের মধ্যে জারি করতে কাজ করছি। আশা করি, এ মাসের মধ্যে নীতিমালাটি জারি করা সম্ভব হবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.